২৬ এপ্রিল ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উত্তর বঙ্গে এখন আর মঙ্গা নেই : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

উত্তর বঙ্গে এখন আর মঙ্গা নেই : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

জবি সংবাদদাতা ॥ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু বলেছেন,৭৫ থেকে ৯৬ বাংলাদেশের প্রগতি-উন্নয়নের চাকা পেছনের দিকে নেওয়া হয়। ৯৬ এর পর বঙ্গবন্ধুর কন্যা সেই চাকা সামনে ঘুরাতে হাল ধরলে ২০০১ আবার বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে সেই চাকা পুরাদমে গতিশীল করতে সক্ষম হয়েছে বর্তমান দেশনেত্রী শেখ হাসিনা। আর যদি ১০টি বছর এই নেত্রী ক্ষমতায় থাকে তাহলে কোথায় মালায়েশিয়া, কোথায় সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের কাছে হার মানবে।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসম্পূর্ণ স্বপ্নকে বাস্তবায়নে বর্তমান বিদ্যুৎ, পানি, চিকিৎসা, শিক্ষা, বাসস্থান, কর্মসংস্থানসহ অনেক কিছুতেই দেশকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে তার সুযোগ্য কন্যা। চালু করা হয়েছে বিভিন্ন সহায়ক ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা। উত্তর বঙ্গে এখন আর মঙ্গা নেই। বছরের শুরুতেই শিশুদের হাতে শিক্ষা উপকরন তুলে দেওয়া, ১২ ক্লাস পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান।

২০১৯ সালের মধ্যে দেশের সকল ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করন এবং ২০২০ সালের মধ্যে দেশের দ্বিপ গুলোতেও বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত এসবই বিশ্ববরেন্য নেতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল যা বাস্তবায়নের পথে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম-এর উদ্যোগে প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত ‘মানবিক বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বাঙালি জাতির মহামানব বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাকে আমরা আরো ভালোভাবে আবিস্কার করতে পারতাম।

কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুকে খন্ডিতভাবে উপস্থাপন করা হয়। ৭ই মার্চের ভাষণ অবিস্মরণীয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর অন্যান্য ভাষণগুলো আরো ভালোভাবে তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বেশি ধারণ করতে সক্ষম হব।

তিনি আরো বলেন, বাঙালি জাতি তথা বাংলাদেশের নানা সমস্যার সমাধান রয়েছে বঙ্গবন্ধুর অন্যান্য ভাষণগুলোতেও। তাই আমাদের জাতীয় সমস্যা সমাধানে তাঁর ভাষণ বিশ্লেষণ করে ফলপ্রসু সমাধান লাভ করা সম্ভব। এসময় ড. মীজানুর রহমান বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন সময় দেয়া ভাষণগুলো নিয়ে বেশি করে গবেষণার এবং জ্ঞান চর্চার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

সেমিনারে আলোচক হিসেবে কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান খান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমীন, কলামিস্ট আব্দুল বাকী চৌধুরী নওয়াব, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ফয়সাল আহসানউল্লাহ এবং বিশিষ্ট কলামিস্ট অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস বক্তব্য প্রদান করেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থান করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় (সিরাজগঞ্জ) এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. দীপিকা রাণী সরকার, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ কলামিস্টগণ বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় প্রগতিশীল কলামিস্ট এবং তরুণ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।