২২ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বালাইনাশকের ব্যবহার হতে হবে বিজ্ঞান সম্মত, এর অপব্যবহার কাম্য নয় ॥ কৃষিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ফসল চাষে সার ব্যবহার, উন্নত বীজ এবং সেচ প্রদানের পাশাপাশি সঠিক সময়ে উপযুক্ত বালাই ব্যবস্থাপনা গ্রহণ না করলে ফসলের কাক্সিক্ষত উৎপাদন সম্ভবন নয়। বিষয়টির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আধুনিক কৃষিতে আমরা বালাইনাশক ব্যবহার করব তবে তা যেন বৈজ্ঞানিক হয় এবং অপব্যবহার না হয়। বুধবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটেকশন এ্যাসোসিয়েশন (বিসিপিএ) বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, পেস্টিসাইড বা বালাইনাশক নিয়ে নানা মত রয়েছে। আমাদের সুশীল সমাজের কিছু লোকজনও কথা বলে। তিনি বলেন, গরমের সময় দেখি বেগুনে যে হারে ব্যবহার করা হয় এটি আশঙ্কাজনক। আমার এলাকায় মধুপুরেও কিছু কৃষক অনারসে ব্যবহার করে। আবার নিজেরা খাওয়ার জন্য কিছু করে সেখানে কোন কেমিক্যাল ব্যবহার করে না। এখানে কৃষক সঠিকভাবে ব্যবহার করছে কিনা তা সম্প্রসারণকে দেখার কথাও বলেন মন্ত্রী।

বালাইনাশক নিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, এ বিষয়ে মানুষের যে ধারণা অর্থাৎ আস্থা নাই। কেমিক্যাল নিয়ে অপ্রপচারও রয়েছে। তবে এ বিষয়ে নিজেরাও যেন সতর্ক থাকি বলেন তিনি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষির জন্য অনেক উদ্যোগ নিয়েছে। দানা জাতিয় শস্যে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ তবে গত বছর ৬০ লাখ টন গম আমদানি করতে হয়েছে। এত আলু উৎপাদিত হচ্ছে চাষীরা বিক্রি করতে পারছে না। খাদ্যমন্ত্রী থাকাকালে নিরাপদ খাদ্য নিয়ে কাজ শুরু করেন জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নিরাপদ খাদ্যের যে আইনটি হয়েছিল তা ৬ মাসের মধ্যে করেছিলাম। এর সুষ্ঠু প্রয়োগও দেখ যেতে চান মন্ত্রী। সরকারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলেন, পুষ্টি ও নিরাপদ খাদ্য দেয়া সরকারের চ্যালেঞ্জ। আওয়ামী লীগের ইশতেহারে কৃষির জন্য দুটি বিষয় ছিল-এক পুষ্টি ও নিরাপদ খাদ্য এবং আধুনিক কৃষি ও যান্ত্রিকীকরণ। সরকার এসব নিয়ে কাজ করছে। মন্ত্রী বলেন, ২১ ভাগ মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে। বিসিপিএ’র

এ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বালাইনাশক একটি কার্যকরি কৃষি উপকরণ হিসেবে সারা বিশে^ স্বীকৃত। বাংলাদেশে ২০১৮ সালে ৩৮ হাজার ৯৯১ মে. টন বালাই নাশক ব্যবহার হয়েছে।