২৩ এপ্রিল ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পাকিস্তানকে কড়া মাসুল গুনতে হবে

  • ভারতে ফের সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি

মার্কিন প্রশাসন পাকিস্তানকে সাফ জানিয়েছে যে, ভারতে আর কোন সন্ত্রাসী হামলা হলে ইসলামাবাদকে অত্যন্ত কঠিন সমস্যায় পড়তে হবে। একই সঙ্গে ইমরান প্রশাসনকে সন্ত্রাসী তৎপরতায় যোগসাজশকারীদের বিরুদ্ধে টেকসই, প্রমাণযোগ্য ও দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। খবর এনডিটিভি অনলাইনের।

বুধবার ট্রাম্প প্রশাসনের এক সিনিয়র কর্তকর্তা হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তান যে কোন উত্তেজনার আগুনে ঘি ঢালতে চায় না এ কথা প্রমাণের জন্য প্রথমে ইসলামাবাদকে ওই অঞ্চলের সন্ত্রাসী গ্রুপসমূহ বিশেষ করে জইশ-ই মোহাম্মদ ও লস্কর-ই তৈয়বার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্তকর্তা বলেন, পাকিস্তান যদি এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে টেকসই ও কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, আর যদি ভারতের মাটিতে ফের সন্ত্রাসী হামলা হয় তবে পাকিস্তানকে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হবে। এছাড়া পাক-ভারত উত্তেজনার জন্য ইসলামাবাদকেই দায়ী করা হবে।

আর এই উত্তেজনা উভয় দেশের জন্য বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনবে। পাকিস্তানের বালাকোটে ভারতীয় বিমান বাহিনীর অভিযানের পরবর্তী সময়ে ইসলামাবাদের পদক্ষেপ বিষয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীসমূূহের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদের দায়িত্বপূর্ণ ও টেকসই পদক্ষেপ দেখতে চায়। তবে এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার সময় আসেনি বলে ওই মার্কিন কর্মকর্তা মনে করেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি ইসলামাবাদ সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

দেশটি কয়েকটি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর সম্পদ বাজেয়াফত করেছে। এছাড়া ইমরান প্রশাসন জয়শ-ই মোহাম্মদের কয়েকটি স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। তবে আমরা এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইসলামাবাদের আরও সুস্পষ্ট ও দায়িত্বপূর্ণ পদক্ষেপ দেখতে চাই। কারণ, এর আগে আমরা দেখেছি, ইসলামাবাদ একাধিক জঙ্গী নেতাকে আটকের কয়েক মাস পর তাদের ফের ছেড়ে দিয়েছে। ওই সব নেতা পাকিস্তানজুড়ে স্বচ্ছন্দে ঘুরে বেরিয়েছে ও মিছিল-মিটিং করেছে। ওই কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেছেন, ওয়াশিংটন তার আন্তর্জাতিক মিত্র দেশসমূহকে সঙ্গে নিয়ে ইসলামাবাদের ওপর চাপ তৈরির চেষ্টা করছে। কারণ, সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয় ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

কাশ্মীরের পুলওয়ামায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ত্রাসী হামলায় বহু ভারতীয় সৈন্য নিহত হয়। এ বিষয়ে পরমাণুসমৃদ্ধ চিরবৈরী প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে। উত্তেজনা হ্রাসে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশ কাজ করে।