২৬ এপ্রিল ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ইসলামভীতি ছড়ানোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বান ওআইসি'র

ইসলামভীতি ছড়ানোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বান  ওআইসি'র

অনলাইন ডেস্ক ॥ ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি'র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি সম্মেলন থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর ইসলামভীতি ছড়ানোর বিরুদ্ধে সম্মিলিত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে ওআইসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামভীতি ছড়ানোর জন্য সম্মেলন থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর নিন্দাও জানানো হয়েছে।

সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেন, পশ্চিমা সুনির্দিষ্ট কয়কটি দেশকে নিউজিল্যান্ড হত্যাকাণ্ডের জন্য অবশ্যই দায় নিতে হবে। নিউজিল্যান্ডের এ হত্যাকাণ্ডের মধ্যদিয়ে পরষ্কার হয়েছে যে, পশ্চিমা বিশ্বে বিপজ্জনক একটি জোয়ার চলছে আর তা হচ্ছে ইসলামিভীতি ছড়ানো। তিনি বলেন, পশ্চিমা কোনো কোনো কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠান নিরবতা পালন করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে এ ধরনের ঘৃণ্য অপরাধমূলক তৎপরতা চালাতে সহায়তা দিচ্ছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের নাম উল্লেখ করে জাওয়াদ জারিফ বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প মুসলমানদেরকে তার দেশে প্রবেশে বাধা দিচ্ছেন। আর ইসলামি প্রতীক ব্যবহারে বাধা দেয়ার জন্য তিনি ইউরোপকে দায়ী করেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এসব ব্যক্তি বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকারের কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে তারা মুসলমানদের বাকস্বাধীনতা দমন করছে এবং বাকস্বাধীনতার নামে মুসলমানদেরকে সব উপায়ে অপমান-অপদস্ত করার চেষ্টা করছে। এর অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় মুসলমানদের ওপর হামলা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন জারিফ।

নিউজিল্যান্ডের দুটি মসজিদে মুসল্লিদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং ওআইসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি সম্মেলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব করেন। এরপর গতকাল এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো।

সম্মেলনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানও বক্তব্য রাখেন। তিনি ইসলামভীতি ছড়ানোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মুসলমানেরা এ ধরনের বর্বর হত্যাকাণ্ড বরদাশত করতে পারে না। এরদোগান বলেন, “এ মুহূর্তে আমরা ইসলামভীতি ও মুসলিম-বিদ্বেষের মুখে রয়েছি। দায়েশের বিরুদ্ধে যেভাবে লড়াই হয়েছে ঠিকই একইভাবে উগ্র নাজিবাদীদের বিরুদ্ধেও লড়তে হবে।” তিনি বলেন, ক্রাইস্টচার্চ হত্যাকাণ্ডের পর নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন যেভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এবং মুসলমানদের প্রতি সহমর্মিতা দেখিয়েছেন তা উদাহরণ হতে পারে।#