২০ এপ্রিল ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নির্বাচনী আচরণবিধির জেরে মোদির জীবনী নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র মুক্তি পাচ্ছেনা

নির্বাচনী আচরণবিধির জেরে মোদির জীবনী নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র মুক্তি পাচ্ছেনা

অনলাইন ডেস্ক ॥ আচরণবিধি সত্ত্বেও ছবিটির বিজ্ঞাপন সংবাদপত্রে বেরোনোয় সংশ্লিষ্ট কাগজকে ইতিমধ্যেই কারণ শো-কজের নোটিস দিয়েছেন পূর্ব দিল্লী লোকসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার।

সংশয়ে ‘নরেন্দ্র মোদী’র মুক্তি। নির্বাচনী আচরণবিধি জারি থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রীর জীবনী নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র ‘পিএম নরেন্দ্র মোদী’ ৫ এপ্রিল মুক্তি পেতে পারে কি না, খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন। সেন্সর বোর্ডের দ্বারস্থ হয়েছে তারা।

আচরণবিধি সত্ত্বেও ছবিটির বিজ্ঞাপন সংবাদপত্রে বেরোনোয় সংশ্লিষ্ট কাগজকে ইতিমধ্যেই কারণ শো-কজের নোটিস দিয়েছেন পূর্ব দিল্লি লোকসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার। বিজ্ঞাপনটি কমিশনের অনুমতি নিয়ে ছাপা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়ার সঙ্গেই সেটির জন্য খরচ হওয়া অর্থ পূর্ব দিল্লি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর খরচের সঙ্গে জুড়তে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। যেখানে বিজ্ঞাপন ঘিরেই প্রশ্ন, তখন ছবিটি ভোট মরসুমে দিনের আলো দেখবে কি না, তা নিয়ে রীতিমতো সংশয় তৈরি হয়েছে।

ছবির মুক্তি আটকাতে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে কংগ্রেস ও ডিএমকে। সরব সিপিএম। ট্রেলারেই ইঙ্গিত, মোদীর জীবনের নানা দিক, সঙ্ঘের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক, গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রীর হওয়ার যাত্রাপথকে তুলে ধরেছে ছবিটি। পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি নিতে দেখা গিয়েছে ‘মোদীকে’। বিরোধীদের বক্তব্য, এটা আদতে মোদী ও বিজেপির পরোক্ষ প্রচার। এর পরে আসতে চলেছে ‘তাসখন্দ ফাইলস’ নামে একটি ছবি। যাতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর তাসখন্দে মৃত্যু রহস্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অনেকের মতে, সেই ছবিটির মাধ্যমে কংগ্রেসের তৎকালীন নেতৃত্বের ভূমিকাকে আতসকাচের তলায় ফেলা হয়েছে। ভোটের সময়ে এ ধরনের সিনেমা কী ভাবে রোখা যায়, তা নিয়ে এখন ধন্দে কমিশন। বিষয়টি নিয়ে কমিশন সেন্সর বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছে। কারণ বর্তমান আইন অনুযায়ী, কোনও ছবি এক বার সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়ে গেলে তা রোখার ক্ষমতা কারও নেই।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

নির্বাচিত সংবাদ