১৯ এপ্রিল ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরে জাতিসংঘের রূপরেখা

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের বিষয়ে একটি রূপরেখা তৈরি করেছে জাতিসংঘের ‘ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম’ (ডব্লিউএফপি)। কীভাবে রোহিঙ্গাদের সেখানে নেয়া হবে এবং নিয়ে যাওয়ার পর কীভাবে তাদের সেখানে বসবাসের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে সে সংক্রান্ত রূপরেখাটির নথি পৌঁছেছে রয়টার্সের হাতে। খবর ইয়াহু নিউজের।

ডব্লিউএফপি স্থানান্তরের রূপরেখা তৈরি করলেও নথিতে উল্লেখ করেছে, রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর ‘স্বেচ্ছাপ্রসূত’ হওয়া উচিত এবং রূপরেখাটি ‘ভাসানচরের বর্তমান অবস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়ন ব্যতিরেকে প্রস্তুত।’ সম্প্রতি রয়টার্সের কাছে ‘ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের’ (ডব্লিউএফপি) একটি নথি এসেছে। সেখানে দেখা গেছে, খাদ্য সহায়তা সংক্রান্ত জাতিসংঘের এই সংস্থাটি রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের বিষয়ে একটি রূপরেখা তুলে ধরেছে। সংস্থাটি পরিকল্পনার পাশাপাশি সময়সীমা ও প্রয়োজনীয় অর্থের তথ্যও উল্লেখ করেছে। ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, তাদের ও তাদের সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের কাছে স্থানান্তরের বিষয়টি উত্থাপন, তাদের নিয়ে যাওয়া এবং ভাসানচরে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়ার কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য দাতাদের কাছে প্রাথমিকভাবে এক কোটি ৯০ লাখ ডলারের অনুদান চাওয়া উচিত। রয়টার্স লিখেছে, ডব্লিউএফপি পরিকল্পনার রূপরেখা দিলেও এ পরিকল্পনাটিকে তারা ‘অল্প সময়ে তৈরি এবং ভাসানচরের বর্তমান অবস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়ন ব্যতিরেকে প্রস্তুত’ আখ্যা দিয়েছে। ‘কনসেপ্ট অব অপারেশন’ শীর্ষক ১২ মার্চের নথিটিতে সংস্থাটি লিখেছে, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের বিষয়টি যেমন রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছাপ্রসূত হওয়া উচিত, তেমনি স্থানান্তর বাস্তবায়নে মেনে চলা উচিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিধি ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি। ডব্লিউএফপির কক্সবাজারে নিয়োজিত কমিউনিকেশন অফিসার জেমা স্নোডন বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের এই রূপরেখা সরকারের সঙ্গে তাদের ‘চলমান আলোচনার’ অংশ। রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ভসানচরে স্থানান্তরের জন্য পরিকল্পনার গভীর মূল্যায়ন, প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থান এবং খাদ্য, টেলিকমিউনিকেশনের মতো অন্যান্য কিছু বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করতে হবে।