২৪ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ২০

আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর  সমর্থকদের  মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ২০

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা ॥ চতুর্থ ধাপের ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ,নির্বাচনী অফিস ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনা অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। রবিবার রাত ৯টার দিকে তজুমদ্দিন উপজেলার ফকিরহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তজুমদ্দিন উপজেলার ফকিরহাট বাজারে আওয়ামী লীগ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন দুলাল এর নেতাকর্মীরা নির্বাচনী গণসংযোগ করার সময় নৌকার প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক দেওয়ান এর একটি মিছিল আসলে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনার সৃস্টি হয়। এক পর্যায়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে ,এ সময় স্বতন্ত্র আনারস মার্কার প্রার্থী মোশারেফ হোসেন দুলাল এর নির্বাচনী অফিস এবং পথসভাস্থলের চেয়ারসহ বাজারের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করা হয় । খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে তজুমদ্দিন,বোরহানউদ্দিন ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এছাড়াও রবিবার বেলা ১১টার দিকে তজুমদ্দিনের সোনাপুর ইউনিয়নের ইন্দ্র নারায়নপুর এলাকায় আনারস মার্কা প্রার্থীর কর্মীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রাচারণা চালাতে গেলে স্থানীয় ও বহিরাগত সন্ত্রাসীরা সেলিম মাঝি, হাসান, মালেক, রিনা বেগম, ফাতেমা বেগম ও সালমা বেগমের উপর হামলা চালায়।

এসময় সন্ত্রাসীরা সেলিম মাঝিকে বগী দা দিয়ে কুপিয়ে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন যায়গায় গুরুতর যখম করে। বর্তমানে ঐ এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারেফ হোসেন দুলাল সাংবাদিকদের জানান, আমার আনারসের সমর্থকরা প্রচারণায় বের হলে নৌকার প্রার্থীর লোকজন হামলা ভাংচুর মারপিট ও সহিংসতার সৃষ্টি করে। তারা আমার নির্বাচনী অফিস ভাংচুর ও পোষ্টার ছিড়ে ফেলছে, প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে। তজুমদ্দিনের সাধারণ ভোটারসহ আ’লীগ নেতা কর্মিরা আমার সাথে আছে বলেই প্রতিপক্ষ হতাশ হয়ে পড়েছে।

আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী ফজলুল হক দেওয়ান সাংবাদিকদের জানান, নৌকার সমর্থক নুরুল ইসলাম হোন্ডা দিয়ে যাওয়ার সময় আনারসের সমর্থকরা তার উপর হামলা চালায়। পরে নুর ইসলামের স্বজনরা একত্রিত হয়ে মারামারিতে ঝড়িয়ে পড়েন। এ ঘটনায় আমার সমর্থক নুরুল ইসলাম, হান্নান ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এদিকে তজুমদ্দিন থানার ওসি মো: ফারুক আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।