২৬ আগস্ট ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্বাধীনতার ইতিহাস জিয়া ও খালেদা বিকৃতি করার চেষ্টা করেছে : তোফায়েল

স্বাধীনতার ইতিহাস জিয়া  ও খালেদা  বিকৃতি করার চেষ্টা করেছে  : তোফায়েল

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা ॥ বাণিজ্য মন্ত্রাণায়ন সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, এই স্বাধীনতার ইতিহাস জিয়াউর রহমান ও তার সহধর্মীনি বেগম খালেদা জিয়া বিকৃতি করার চেষ্টা করেছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের প্রায় ৩০ লক্ষ লোক শহীদ হয়েছিল।

আর খালেদা জিয়া বলেছিল ৩০ লক্ষ লোক শহীদ হয়নি। যার কারনে বিশ্বের কাছে আমাদের এই গনহত্যা দিবস এর স্বকৃতি পেতে বেগ পেতে হয়েছিল। আমরা মনে করি ২৫ মার্চ ছিলো গণহত্যা দিবস। আমিই প্রস্তাব করেছিলাম পালামেন্টে ২৫ মার্চ গনহত্যা দিবস পালন করার জন্য। প্রধানমন্ত্রী সেই প্রস্তাব সমর্থন করে সিদ্বান্ত নিয়ে সোমবার গণহত্যা দিবস পালন করেছি।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিজয় ও আনন্দ র্যালির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এর আগে সকালে ভোলা গজনবী ষ্টেডিয়ামে স্কুল ও কলেজের শিশু-কিশোর সামবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, স্বাধীনতা চেতনা মূল্য বোধকে ধরে রেখেই আমরা বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষুদা মুক্ত দারিদ্র মুক্ত শষ্যশ্যামলা সোনার বাংলা রুপান্তরিত করবো। এটাই মহান স্বাধীনতা দিবসে অঙ্গীকার। তিনি বলেন,জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা যার হাতে আওয়ামী লীগের পতাকা তুলে দিয়ে ছিলাম।

সেই পতাকা হাতে নিয়ে নিষ্ঠার সাথে সততার সাথে যোগ্যতার সাথে আজকে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার পথে এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশকে বিশ্বে মর্যাদাশালী রাষ্ট্রে পরিনত করেছে।

এদিকে বাংলা স্কুল মাঠে সমাবেশ শেষে তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে ভোলা শহরে বর্নাঢ্য এক বিজয় ও আনন্দ র্যালী বের হয়। অন্যদিকে দুপুরে ভোলা বাংলা বাজার ফাতেমা খানম কলেজে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় কলেজের গভার্নি বর্ডির সভাপতি মইনুল হোসেন বিপ্লবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। এসময় গেষ্ট অব অনার ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক নারী জাগরনের নেত্রী মিসেস আনোয়ারা আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগে সাধারন সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডাঃ রথীন্দ্র নাথ মজুমদার ,সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মো: মোশারেফ হোসেন,দৌলতখান উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম খান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক জহুলুল ইসলাম নকিব, সাবেক অধ্যক্ষ দুলাল চন্দ্র ঘোষ, সাবেক অধ্যক্ষ ফারুকুর রহমান, ভোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম হাবিবুর রহমান, ,প্রবীন সাংবাদিক এম এ তাহের, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুছ, চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মোঃ সফিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। সভা শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটব বিতরন করা হয়।

এ ছাড়া গুনজনদের গ্রেষ্ট ও উত্তুরীয় পরিয়ে দেয়া হয়। পরে স্বাধীনতা কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে অনুষ্ঠান শুরুর আগে ওই কলেজের নব নির্মিত শহীদ মিনারের উদ্বাধন করেন।