১১ এপ্রিল ২০১৯

ভারতীয় দর্শকরাও পাকিস্তানি সনমের অভিনয়ের অনুরাগী

ভারতীয় দর্শকরাও পাকিস্তানি সনমের অভিনয়ের অনুরাগী

অনলাইন ডেস্ক ॥ পাকিস্তানি এই অভিনেত্রীকে নাকি রীতিমতো জরিপ করেছেন আলিয়া ভট্ট। প্রথম বার কস্টিউম ড্রামায় অভিনয় করছেন আলিয়া ভট্ট। আর এই অভিনেত্রীকে ‘ফলো’ করছেন, কিন্তু কেন বলুন তো? ‘রাজি’ পিরিয়ড ড্রামা হলেও তাতে পোশাকের বাহুল্য ছিল না। তবে অভিষেক বর্মণের ‘কলঙ্ক’-এর জন্য শরীরী ভাষায় আভিজাত্য ফুটিয়ে তুলতে হয়েছে তাঁকে। তাই সনম সৈয়দ নামে এই অভিনেত্রীকে ভাল করে খেয়াল করছেন আলিয়া। তাঁকে কে এই পরামর্শ দিয়েছেন জানেন? আলিয়াকে পরিচালক অভিষেক বর্মণ বলেছিলেন সনমকে ভাল করে লক্ষ্য করতে। পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিকের এই অভিনেত্রীকে নিয়ে রীতিমতো চর্চা চলে সে দেশে। আর দেশের সীমানা ছাড়িয়ে এখন সনমের পরিচিতি এ দেশেও। কারণ ভারতীয় দর্শকরাও তাঁর অভিনয়ের অনুরাগী। পাকিস্তানি ধারাবাহিক ‘জিন্দেগি গুলজার হ্যায়’-তে অভিনয় করেন সনম। এতটাই জনপ্রিয় হয়েছেন চরিত্রের জন্য যে, তাঁকে মুখ ঢেকেও চলাফেরা করতে হয়েছে রাস্তাঘাটে। কলঙ্কে আলিয়ার চরিত্র, অর্থাত্ রূপ অনেকটা কশফের (ধারাবাহিকের মূল চরিত্র) মতো করে পরিস্থিতি সামলায়, সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছিলেন আলিয়ার বক্তব্য শুনে বেশ লজ্জা পেয়েছেন সনম। তিনি নিজের টুইটারে লিখেছেন, ‘আলিয়াকে অনেক শুভেচ্ছা। আলিয়া আমার প্রিয় একজন অভিনেত্রী।’ সনমের সঙ্গে ওই ধারাবাহিকে অভিনয় করেন অভিনেতা ফাওয়াদ খান। উর্দু সিনেমা ও টেলিসিরিয়ালের অন্যতম অভিনেত্রী মডেলিং করতেন প্রথমে। সনম সেখান থেকেই বড় পর্দায় কাজ শুরু করেন। বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনী ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। ধারাবাহিকে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পাওয়া সনমের অভিনয়ের শুরুটা কিন্তু শৈশবে। মঞ্চে অভিনয় করছেন পাঁচ বছর বয়স থেকেই। সনমের পরিবার আসলে একটু অন্য রকম। ইংল্যান্ডে জন্মেছেন তিনি। তাঁর বাবা ইন্টিরিয়র ডিজাইনার আর মা আর্টের শিক্ষিকা। তাই বাড়ির পরিবেশে শিল্প চর্চা ছিল একটা বড় অংশ। সনমের বাবা পঞ্জাব প্রদেশের মানুষ, মা সিন্ধপ্রদেশের মেমন পরিবারের মেয়ে। ১৯৯০ সালে করাচিতে বাস করা শুরু করেন তাঁরা। স্কুল ও কলেজের পাঠ সেখানেই। মডেলিং শুরু করেন স্কুল জীবনেই। মাত্র ১৬ বছর বয়সে। শুধু অভিনয়ই নয়, চমৎকার গানও করেন সনম। পাকিস্তানের কোক স্টুডিয়োতে গান গাইতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মঞ্চেও অভিনয়ও করেছেন তিনি। সনম বিয়ে করেছিলেন ছোটবেলার বন্ধুকে। কিন্তু ২০১৫ সালে বিয়ে হলেও ২০১৮ সালে বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে তাঁদের।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা