২১ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আগামী ২১ মে ভিপি নুরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন

আগামী ২১ মে ভিপি নুরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন

অনলাইন রিপোর্টার ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মধ্যে রোকেয়া হলের প্রভোস্ট জিনাত হুদাকে লাঞ্ছিত করা ও ভাঙচুরের অভিযোগে ভিপি পদে বিজয়ী কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের নেতা নুরুল হক নুরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আগামী ২১ মে ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বুধবার মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকা মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনছারী প্রতিবেদন দাখিলের এ তারিখ ধার্য করেন।

এর আগে গত ১১ মার্চ রাতে ঢাবির নৃত্যকলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মারজুকা রায়না শাহবাগ থানায় নুরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। এতে অজ্ঞাত পরিচয় ৩০-৪০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- বাম জোটের ভিপি প্রার্থী ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী, ছাত্রদলের জিএস প্রার্থী আনিসুর রহমান খন্দকার, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের জিএস প্রার্থী উম্মে হাবীবা বেনজীর, রোকেয়া হল সংসদের ভিপি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মৌসুমী, ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক পদে জয়ী সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আখতার হোসেন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থী শ্রবণা শফিক দীপ্তি।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ১১ মার্চ আসামিরা ডাকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালে হেরে যাওয়ার ভয়ে পরস্পর যোগ সাজসে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ বানচাল করার জন্য অজ্ঞাত ৩০/৪০ জন ছাত্র-ছাত্রী একত্র হয়ে গুজব সৃষ্টি করে। তারা রোকেয়া হল সংসদের ভিতর ট্রাংক ভর্তি সীলমারা ব্যালট পেপার রয়েছে মর্মে আরো ছাত্র-ছাত্রীদের ডেকে বলে ভোটগ্রহণ হবে না, আপনারা চলে যান। তখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভোট না দিয়ে চলে যায়।

তখন প্রভোস্ট জিনাত হুদা আশ্বস্ত করেন যে, ওই ট্রাংকে ব্ল্যাংক ব্যালট পেপার রয়েছে। কিন্তু তারা তা বিশ্বাস না করে প্রভোস্টকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন। তারা রোকেয়া হল সংসদের দরজা, জানালা লাথি মেরে ভাঙচুর করে।