২২ মে ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মজুদ পর্যাপ্ত, রমজানে পণ্যের দাম বাড়বে না

  • জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চাহিদার তুলনায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য অনেক বেশি মজুদ রয়েছে, তাই আসন্ন রমজান মাসে পণ্যের দাম বাড়বে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। পণ্য আনা-নেয়ার রাস্তায় যেন কোন ধরনের চাঁদাবাজি না হয় সে জন্য সংশ্লিষ্টদের শীঘ্রই চিঠি দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন রমজান নিয়ে প্রস্তুতি বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, ছোলা, পেঁয়াজ ও খেজুর টিসিবির মাধ্যমে শীঘ্রই বিক্রি করা শুরু হবে। আমাদের ধারণা যে, রমজানে পণ্যের দাম তেমন বাড়বে না। কারণ মজুতসহ সব ধরনের প্রস্তুতি আমাদের আছে। আমাদের কাছে যা রিপোর্ট আছে তাতে প্রয়োজনের তুলনায় নিত্যপণ্যের মজুত অনেক বেশি। তবে চিনিতে হয়তো এক-দুই টাকা বাড়তে পারে। কারণ চিনির উৎপাদন খরচ বেড়েছে। বাজার মনিটরিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মনিটরিংয়ের সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ও বাজার মনিটর করবে। কোন ব্যবসায়ী রমজানকে কেন্দ্র করে সুযোগ নিচ্ছে কি না সে বিষয়টি আমরা নজরে রাখছি। সার্বিকভাবে আমরা পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি।

এদিকে চাল রফতানি করতে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, চালকল মালিকরা আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। তারা একটা পরিসংখ্যান দিয়ে বলেছেন দেশে যে পরিমাণ চালের প্রয়োজন, বর্তমানে তার চেয়ে অনেক বেশি রয়েছে। এ অবস্থায় চাল যদি রফতানি না করি তাহলে দাম আরও কমে যাবে। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমি তাদের বলেছি যে, কয়েকদিন আগেই তো চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। তারা বলেন, তখন চালের দাম বাড়ানো ঠিক হয়নি, চাল তখনও ছিল এখনও আছে। বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা সব রকম তথ্য নিয়ে আসেন। তাছাড়া আমি নিজেও খাদ্যমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলি। এরপর সত্যি যদি চাল রফতানি করার মতো থাকে তাহলে করা যেতেই পারে। তিনি বলেন, চাল রফতানির সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আরও আলাপ-আলোচনা করব। আসলে আমাদের চাহিদা কত সেটা নির্ধারণ করার পরই সিদ্ধান্ত নেব।