২৩ মে ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পদ্মা সেতুর বরাদ্দ ৪০ শতাংশ কাটছাঁট

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে পদ্মা সেতুতে বসছে, ১১ নম্বর স্প্যান। যা সম্ভব হলে, প্রথমবারের মতো এক মাসে দুটি স্প্যান বসানোর লক্ষ্য অর্জন করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। তবে, এই অগ্রগতির বিপরীতে বড় দুশ্চিন্তা, প্রত্যাশিত মাত্রায় টাকা খরচ করতে না পারা। কারণ, চলতি অর্থবছরের এডিপি থেকে কেটে ফেলতে হয়েছে ৪০ শতাংশ বা পৌনে দুই হাজার কোটি টাকা। আর প্রথম নয় মাসে খরচ করা গেছে কাটছাঁট হওয়া বরাদ্দের ৬৩ শতাংশ। যাকে অপ্রত্যাশিত বলছেন বিশ্লেষকরা।

সকাল, দুপুর কিংবা বিকেল; সময়ের সঙ্গে খরস্রোতা পদ্মা দেখা দেয় নতুন রূপে। তারই মাঝখানে, ভারি ভারি যন্ত্রপাতি, বিশ্বমানের প্রযুক্তি আর কয়েক হাজার প্রকৌশলীর দিন-রাতকে এক করা ব্যস্ততা এগিয়ে নিচ্ছে ৩০ হাজার কোটি টাকার সেতু নির্মাণকে। এরই মধ্যে জাজিরা এবং মাওয়া, দুই প্রান্ত মিলিয়ে দাঁড়িয়ে গেছে দেড় কিলোমিটার। চলতি মাসেই যা বাড়বে আরও দেড় শ’ মিটার। তবে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে যে চ্যালেঞ্জ নিতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত তাকে নতুন এবং ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা বলছেন প্রকল্প পরিচালক। মার্চ পর্যন্ত মূল সেতুর কাজ এগিয়ে গেছে চার ভাগের তিনভাগ। আর সার্বিক অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ। তবে, এই গতির সঙ্গে বেমানান চলতি অর্থবছরে টাকা খরচের চিত্র। ফাস্ট ট্র্যাকের অধীন এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয় প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। কিন্তু, খরচ করতে না পারায় ৪০ শতাংশ কেটে সংশোধিত বরাদ্দ নামিয়ে আনা হয় ২৬৫৬ কোটিতে।

আর প্রথম নয় মাসে, সেখান থেকে খরচ করা সম্ভব হয় মাত্র ১৬৮৪ কোটি। পরিকল্পনা কমিশন বলছে, নানা কারণেই অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছিল প্রকল্পে। পদ্মা ছাড়াও, ফাস্টট্র্যাকের আরও কয়েক প্রকল্প থেকে কেটে ফেলা হয়েছে বিপুল পরিমাণ টাকা।