১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আমতলীর বেইলী ব্রীজ এখন মরণ ফাঁদ

আমতলীর বেইলী ব্রীজ এখন মরণ ফাঁদ

নিজস্ব সংবাদদাতা, আমতলী, বরগুনা ॥ বরগুনার আমতলী আড়পাঙ্গাশিয়া নদীর ওপর নির্মিত বেইলী ব্রীজ এখন মরণ ফাঁদ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে আমতলী-তালতলী উপজেলার দুই লক্ষ মানুষ। এখনই পদক্ষেপ না নিলে যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আমতলী উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানাগেছে, ১৯৯২ সালে আমতলী ও তালতলী উপজেলার সংযোগ সড়কের আড়পাঙ্গাশিয়া নদীর ওপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ বেইলি ব্রীজ নির্মাণ করে। ওই ব্রীজ দিয়ে তালতলী ও আমতলী উপজেলার প্রায় দুই লক্ষ মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। প্রতিদিন ওই ব্রীজ দিয়ে মাদ্রাসা, স্কুল,কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পারাপার হয়। এছাড়া ঢাকাগামী যাত্রীবাহী পরিবহন , আর্ন্তজেলা বাস, ট্রাক, লরি, কাভার্ড ভ্যান, মাহেন্দ্র ও অটোবাইকসহ ছোটবড় সহস্রাধীক যানবাহন পারাপার করে। ব্রীজ নির্মাণের ২৭ বছরে কয়েক দফায় ব্রীজের আঢ়া, পাটাতন, অ্যাংগেল ভেঙ্গে গেছে ও নাট বল্টু খুলে পরেছে। গত তিন বছর ধরে ব্রীজটি বেহাল দশায় পড়ে আছে। আজ মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রীজের মাঝখানে ষ্টীলের পাটাতন দেবে গেছে। অ্যাংগেল ভেঙ্গে পরেছে ও নাট বল্টু খুলে গেছে। ছোট যানবাহন ব্রীজের ওপর উঠলেও ব্রীজ ঠকঠক করে নড়ে। মানুষ ও যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

আমতলী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্রীজটি মেরামতের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র আহবান করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রীজের কাজ শুরু হবে। তিনি আরো বলেন, ওই নদীর ওপরে পাকা ব্রীজ নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে মাটি পরীক্ষা ও টোকো সার্ভে করা হয়েছে। নকশার কাজ চলছে। নকশার কাজ শেষ হলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে পাকা ব্রীজের কাজ শুরু হবে।