১৯ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সুন্দরগঞ্জে অসময়ে তিস্তার ভাঙন

সুন্দরগঞ্জে অসময়ে তিস্তার ভাঙন

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ শুকনো মৌসুমেও অসময়ে তিস্তার ভাঙনে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর, কাপাসিয়া ও শ্রীপুর ইউনিয়নের ফসলী জমি এবং বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অসময়ে তিস্তার এ ভাঙনে ওই এলাকার লোকজন উদ্বিগ্ন হয়ে দিন কাটাচ্ছে। কৃষকদের আধাপাকা ইরি-বোরো ধান ক্ষেত এবং মৌসুমের নানা প্রজাতের উঠতি ফসলের ক্ষেত নদী ভাঙনে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে চরাঞ্চলের কৃষকরা।

ভাঙনের ফলে গত এক সপ্তাহে প্রায় ৫০টি বসতবাড়িসহ আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙন কবলিত পরিবারগুলো এখন মানবেতর জীবন-যাপন করছে। বিশেষ করে কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে ব্যাপক ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের চরাঞ্চল জুড়েই এ ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

কাপাসিয়া ইউনিয়নের বোচাগাড়ি এলাকার লোকজনদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শুকনো মৌসুমে নদী ভাঙার কথা নয়। অথচ গত তিন মাস থেকে দফায়-দফায় নদী ভাঙন চলছে। যার কারণে কাপাসিয়া ইউনিয়নের বেশকিছু আবাদি জমি ফসলসহ নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। এছাড়া ব্যাপক এলাকা এখন ভাঙন কবলিত। এমতাবস্থায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে তীব্র নদীর স্রোতে এসব এলাকায় নদী ভাঙন আরো ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে বলে চরাঞ্চলের মানুষ আশংকা করছেন। কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান, নদী ড্রেজিং এবং খনন করা ছাড়া নদী ভাঙন রোধ করা কোনক্রমে সম্ভব নয়। কারণ দীর্ঘদিন ধরে নদীতে পলি জমে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। নদী ভাঙন ঠেকাতে হলে স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড, গাইবান্ধা নির্বাহী প্রকৌশলী সুত্রে জানা গেছে, এতদঞ্চলের তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে একটি দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করেছে। সে অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ভাঙন রোধে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হবে।