২৭ মে ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাকিবের ভাবনায় শুধুই বিশ্বকাপ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ খেলছেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগে (আইপিএল)। তবে নজর শুধুই আছে ক্রিকেট বিশ্বকাপে। বাংলাদেশ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ভাবনাজুড়ে শুধুই বিশ্বকাপ।

সাকিব এ নিয়ে জানান, আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব নিজেকে বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত করার। আইপিএলে হয়তো আরও কিছু ম্যাচ খেলার সুযোগ হবে। এটা আমার প্রস্তুতিরও একটা অংশ বলতে পারেন। বাংলাদেশে ফিরে আরও প্রস্তুতির সময় পাব। চেষ্টা থাকবে সর্বোচ্চটা দেয়ার। এখানে আইপিএল খেলতে এসে নিজেকে প্রস্তুত করছি বিশ্বকাপের জন্য। ভারতের গণমাধ্যমে বিশ্বকাপ নিয়ে সাকিব নিজের অনুভূতি এভাবেই জানান দিয়েছেন।

ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হতে আরও এক মাস বাকি। ইংল্যান্ড এ্যান্ড ওয়েলসে হবে বিশ্বকাপ। ৩০ মে শুরু হবে বিশ্বকাপ। এ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২ জুন। প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর এক এক করে ৫ জুন নিউজিল্যান্ড, ৮ জুন ইংল্যান্ড, ১১ জুন শ্রীলঙ্কা, ১৭ জুন ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০ জুন অস্ট্রেলিয়া, ২৪ জুন আফগানিস্তান, ২ জুলাই ভারত আর ৫ জুলাই পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে টাইগাররা। এর আগে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে। বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে খেলবে প্রস্তুতি ম্যাচও।

এবারের বিশ্বকাপে ১০ দল অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি দলই পরস্পরের বিপক্ষে লড়াই করবে। যে চারটি দল পয়েন্ট তালিকায় সবার ওপরে থাকবে তারা সেমিফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। ফাইনাল হবে ১৪ জুলাই লর্ডসে।

নিজের পারফর্মেন্স নিয়ে সাকিব বলেন, আমার জন্য এ বছরটা খুব ভাল যায়নি। অনেক ম্যাচ খেলতে পারিনি। আইপিএলের এই আসরেও তাই হয়েছে। বিদেশী কোটায় থাকা ক্রিকেটাররা সবাই বেশ ভাল করছেন। বুঝতে পারছি সুযোগ পেতে হলে ভাল কিছুই করতে হবে। দলের জন্য সবসময়ই আমি কিছু না কিছু দিতে চেষ্টা করি। এই বিশ্বকাপে আমাদের নিয়ে অনেক প্রত্যাশা। সবসময়ই সেটা থাকে। একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে বলতে পারি, প্রত্যাশার চাপ আপনাকে সামাল দিতে শিখতে হবে। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব ক্রিকেটের বড় এক নাম। আমরা বেশ উন্নতি করেছি। আশা করছি বিশ্বকাপে নিজেদের সেরাটা দিতে পারব।

সাকিবের কাছে মনে হচ্ছে ইংল্যান্ড কন্ডিশনকে যতই পেসারদের জন্য বিবেচনা করা হোক, স্পিনাররা ভেল্কি দেখাবে। তিনি বলেন, এই বিশ্বকাপের ফরমেশন দেখে মনে হচ্ছে স্পিনাররা বড় একটা ভূমিকা পালন করবে। কারণ এই টুর্নামেন্টটি হতে যাচ্ছে লম্বা একটা সময়ের জন্য। যেখানে ইংলিশ কন্ডিশনে উইকেট সহজেই শুষ্কভাব নেয়। টুর্নামেন্টের শেষ দিকে স্পিনাররা আরও ভাল করবে বলে মনে হচ্ছে।