২৬ মে ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

২০২৬ বিশ্বকাপ বাংলাদেশকে খেলানোর প্রতিশ্রুতি

  • আসন্ন হকির নির্বাচনে রশিদ-সাঈদ প্যানেলের ইশতেহার

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ২০২৫ সালে এশিয়ান হকির সেমিফাইনালে খেলা এবং ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ হকির মূলপর্বে বাংলাদেশ যেন খেলতে পারে এই মূল দুটি লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে রশিদ-সাঈদ পরিষদ। বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের বহুল আলোচিত হকির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ এপ্রিল। এই নির্বাচন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় একটি প্যানেলের পরিচিতি এবং ইশতেহার ঘোষণা। ২৫ সদস্যবিশিষ্ট এই প্যানেলে ঊষা ক্রীড়া চক্রের আব্দুর রশিদ শিকদার সহ-সভাপতি পদে এবং মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের এ কে এম মমিনুল হক সাঈদ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

এছাড়া সহ-সভাপতি পদে নাটোরের সৈয়দ মোস্তাক আলী মুকুল, ভিক্টোরিয়া এসসির সারওয়ার হোসেন, যশোরের মাহমুদ রিবন, সিলেটের নূরে আলম খোকন; যুগ্ম-সম্পাদক পদে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের কামরুল ইসলাম কিসমত, গাজীপুরের আনোয়ারা সরকার; কোষাধ্যক্ষ পদে হাজী মোঃ হুমায়ুন প্রতিদ্বন্দি¦তা করবেন। এই প্যানেলের সবাইকে দোয়া ও শুভ কামনা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন হকির কিংবদন্তি সাবেক খেলোয়াড় বশির আহমেদ, প্রতাপ শংকর হাজরা এবং শামসুল বারী। প্যানেল পরিচিতি করান সাবেক জাতীয় দলের তারকা ফরোয়ার্ড এবং অধিনায়ক রফিকুল ইসলাম কামাল (তিনি নিজেও ১৬ সদস্য পদপ্রার্থীদের একজন)।

ইশতেহার পাঠ করেন মমিনুল হক সাঈদ। তিনি জানান, তাদের প্যানেল নির্বাচিত হলে ফেডারেশন হকি কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে প্রথম চার বছরের মধ্যে কমপক্ষে অগ্রাধিকারভিত্তিতে দুটি বিভাগে টার্ফ স্থাপনের জন্য সার্বিক উদ্যোগ নেবে। এছাড়া প্রতিবছর সাধারণ পরিষদের সভার আয়োজন করবে।

ফেডারেশনের ভবিষ্যত কার্যক্রম তারা চারটি কমিশনের মাধ্যমে পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দেন। এগুলো হচ্ছে ডেভেলপমেন্ট কমিশন, হাই পারফর্মেন্স কমিশন, কম্পিটিশন কমিশন, ট্রেনিং এ্যান্ড মনিটরিং কমিশন এবং এ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিশন। ডেভেলপমেন্ট কমিশন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বিভাগীয়, জেলা, আন্তঃজেলা কাপ, জাতীয় যুব, বাংলাদেশ গেমস, যুব গেমস, স্কুল, নারী, উপজাতি এবং প্রতিভা অন্বেষণ হকি, জাতীয় দলগঠন প্রক্রিয়া, অলিম্পিক দল, অনুর্ধ-১৬, উর্ধ-১৪, ১৫ ও ১৬ দল গঠন।

হাই পারফর্মেন্স কমিশনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে জাতীয় ও অলিম্পিক দলের খেলোয়াড়দের বিদেশী লীগে খেলার সুযোগ করে দেয়া এবং তাদের ইন্স্যুরেন্সের আওতায় আনা।

কম্পিটিশন কমিশনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে জাতীয় হকি, প্রিমিয়ার হকি, প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ লীগ, কর্পোরেট লীগ, শহীদ স্মৃতি হকি, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস হকি, বাংলাদেশ গেমস এবং ফেডারেশন কাপ হকির আয়োজন করা। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্বমানের দলগুলোর অংশগ্রহণে একটি আমন্ত্রণমূলক আন্তর্জাতিক হকি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। প্রিমিয়ার হকি লীগে অংশ নেয়া ক্লাবকে প্রাইজমানি প্রদান, আন্তর্জাতিক মানের আম্পায়ার দিয়ে লীগ ম্যাচ পরিচালনা, ফ্র্যাঞ্জাইজিভিত্তিক ডিপিএল হকি টুর্নামেন্ট আয়োজন করা।

ট্রেনিং এ্যান্ড মনিটরিং কমিশনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে দেশজুড়ে হকি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা, আম্পায়ার্স ও জাজ প্যানেলকে ঢেলে সাজানো, আম্পায়ারদের সম্মান বাড়ানো।