২৬ এপ্রিল ২০১৯

বন্দুকযুদ্ধে কুষ্টিয়া ও কক্সবাজারে নিহত ৩

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ পৃথক বন্দুকযুদ্ধে কুষ্টিয়া ও কক্সবাজারে তিনজন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে একজন মাদক বিক্রেতা এবং দুজন জলদস্যু। খবর নিজস্ব সংবাদদাতা ও স্টাফ রিপার্টারের।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া স্বস্তিপুরে পুলিশ ও মাদক বিক্রেতাদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হয় এক মাদক বিক্রেতা। নাম রফিক উদ্দিন (৩৫)। সে উপজেলার বাড়াদির দাউদ আলীর ছেলে। বন্দুকযুদ্ধের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন ও ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে ভাদালিয়া স্বস্তিপুরে বিবদমান মাদক বিক্রেতা দু’গ্রুপের মধ্যে গুলি বিনিময়ের খবর পেয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের দুটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছলে মাদক বিক্রেতারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে ত্রিপক্ষের বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। এক পর্যায়ে টিকতে না পেরে মাদক বিক্রেতা দুই গ্রুপ পিছু হঠতে বাধ্য হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রফিক উদ্দিন চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা বলে পুলিশ শনাক্ত করে। তার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানাসহ বিভিন্ন থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে।

কক্সবাজার ॥ দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জলদস্যু দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে দুই ডাকাত নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে দুই পুলিশ সদস্য। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে লেমশিখালী দরবার শরীফ সংলগ্ন বেড়িবাঁধের ওপর এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, দুটি কার্তুজ ও ১০টি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।

কুতুবদিয়া থানার পুলিশ জানায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শুক্রবার ভোরে লেমশিখালীতে দুই জলদস্যু দলের মধ্যে গোলাগুলি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে জলদস্যুরা পালিয়ে যায়। ওই সময় বেড়িবাঁধের ওপর দুজনের গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে নিয়ে আসে পুলিশ।

কুতুবদিয়া থেকে দৈনিক জনকণ্ঠের নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, নিহত জলদস্যু মাহমুদুল করিম (৩৮) উত্তর ধুরুং ছাবের ঘোনার মৃত উলা মিয়ার পুত্র ও মোঃ কাইয়ুম ওরফে কালু (৩৫) পার্শ্ববর্তী উপজেলা পেকুয়ার টইটংয়ের বাসিন্দা। আহত পুলিশ সদস্য সাইদুল করিম ও তাপস বড়ুয়াকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।