২৪ মে ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিজেপির নির্বাচনী কৌশলে পিছিয়ে বিরোধীরা

সিফাত উল্লাহ ॥ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কঠোর সমালোচকদের অন্যতম পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। সম্প্রতি এক সমাবেশে তিনি অভিযোগ করেন, সাত ধাপের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) সুবিধা দিতে। তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত তার মতো অন্য বিরোধী দলগুলোর কারও মাথাতেই প্রচন্ড গরমের দিনের দীর্ঘ এই তফসিল নিয়ে প্রশ্ন জাগেনি। আর এরইমধ্যে ৫৪৩ লোকসভা আসনের মধ্যে ৩০২টির ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গেছে। বাকি আসনগুলোর জন্যও বিজেপি যে রাজনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে বিরোধী দলগুলোর জন্যও খুব বেশি বিকল্প হাতে নেই। ভারতের দীর্ঘতম ও সবচেয়ে উত্তেজনাকর ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের তফসিলের মাঝামাঝি সময়ে এটা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, ক্ষমতাসীন বিজেপি তাদের বিরোধী দলগুলোকে কৌশল দিয়ে পরাস্ত করেছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিশাল বিজয় পেলেও ওই নির্বাচন থেকে ভিন্ন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে ক্ষমতাসীন দলটি। খবর ওয়েবসাইটের।

মমতা ব্যানার্জী ও অন্য নেতৃত্বের সমন্বয়ে গঠিত বিরোধী জোট অর্থনীতি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিজেপির ব্যর্থতাকে তুলে ধরে আক্রমণ করে যাচ্ছে। দেশটির কিছু অংশে গো হত্যার মতো ইস্যুতে ডানপন্থী উগ্র হিন্দুদের প্রকোপ নিয়েও আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিয়েছে তারা। তবে একান্তে তারা যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার কথা প্রকাশ করেছে, তাতে মনে হচ্ছে দীর্ঘ প্রচারের মধ্যে মোদি তার পালে নতুন হাওয়া পেয়েছেন। আগের চেয়ে অনেক স্থির ও দৃঢ়চিত্ত নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। এমনকি যখন পশ্চিমবঙ্গে সমাবেশ করছেন তখনও। তিনি যেখানে যাচ্ছেন সব জায়গাতেই বিপুল মানুষের সমাগম হচ্ছে, যা তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৯ সালের নির্বাচনের সমস্যাগুলোর কথা বুঝতে পেরে মোদি তাকে ভালভাবে প্রস্তুত করেছেন। যে ২০টি রাজ্যে তিনি প্রচার চালাচ্ছেন সেগুলোর প্রত্যেকটির সুনির্দিষ্ট সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন তিনি। বেশিরভাগ জাতীয় নেতাদের মতো নিজেকে সাধারণীকরণ করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিরোধী দলগুলোর কাজকে সহজ করে দেননি তিনি। উড়িষ্যা কিংবা ত্রিপুরা, তামিলনাড়ু কিংবা পশ্চিমবঙ্গ সব জায়গাতেই মোদি বিরোধীদের স্থানীয় দুর্নীতির মূল জায়গাকে সামনে এনেছেন।