২০ মে ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আজ জমা, শাকিল জেলে

  • নুসরাত হত্যাকান্ড

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কেরোসিনের মাধ্যমে দেয়া আগুনে শরীর দগ্ধ হয়েই মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার পুলিশের হাতে নুসরাতের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট জমা দিবেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসা বোর্ড। এদিকে নুসরাত হত্যার আরেক পরিকল্পনাকারী মহিউদ্দিন শাকিলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নুসরাতের লাশের ময়নাতদন্তকারী তিন সদস্য চিকিৎসক বোর্ডের প্রধান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ সোহেল মাহমুদ জনকণ্ঠকে জানান, দাহ্য পদার্থের (কেরোসিন) মাধ্যমে দেয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে নুসরাতের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে তার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। শনিবার সকালে শাহবাগ থানা পুলিশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ফরেনসিক বিভাগে এসে এই ময়নাতদন্ত রিপোর্ট নিয়ে যাবে বলে ডাঃ সোহেল মাহমদু জানান। এর আগে গত ১০ এপ্রিল মারাত্মক দগ্ধ নুসরাত ঢামেক হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। পরেরদিন গত ১১ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে তিন সদস্যের একটি বোর্ড নুসরাতের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। ময়নাতদন্তে নুসরাতের ডিএনএ, মাইক্রোবায়োলজিক্যাল টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ঢামেক ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ সোহেল মাহমুদকে প্রধান করে গঠিত বোর্ডের অন্য দুই সদস্য ছিলেন প্রভাষক সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ প্রদীপ বিশ্বাস ও জান্নাতুল ফেরদৌস শারমিন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রাফির শরীরে অগ্নিদগ্ধ হওয়া ছাড়া অন্য কোন আলামত পাওয়া যায়নি। দাহ্য পদার্থের (কেরোসিন) মাধ্যমে দেয়া আগুনে শরীর দগ্ধ হয়েই রাফির মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে এমনটি উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া যৌন নিপীড়নের জন্য এই আলামত নেয়া হয়েছে। সেটি রিপোর্ট এখনও হাতে পায়নি বলে মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা জানান। এদিকে আমাদের ফেনীর নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় পিবিআইর হতে গ্রেফতারকৃত মহিউদ্দিন শাকিলকে শুক্রবার বিকেলে ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন পিবিআই। আদালতের বিচারক দ্রুব জ্যোতী পাল শাকিলকে জেল হাজাতে পাঠানো আদেশ দেন। মামলায় তদন্ত কমকর্তা ইন্সপেক্টর শাহ আলম জানান, শাকিলকে গ্রেফতারের পর গুরত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। সে ঘটনার সময় স্কুলগেটে হামলাকারীদের নিরাপদে পার হয়ে যাওয়ার জন্য গেটে পাহারা দিচ্ছিলেন।