১৯ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রবৃদ্ধিতে প্রভাবশালী ২০টি দেশের তালিকায় আসছে বাংলাদেশ : অর্থমন্ত্রী

 প্রবৃদ্ধিতে প্রভাবশালী ২০টি দেশের তালিকায় আসছে বাংলাদেশ   :   অর্থমন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে যেসব দেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে সেই তালিকায় বাংলাদেশ থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধিতে প্রভাবশালী ২০টি দেশের তালিকায় আসছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার শেরেবাংলা নগরে অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর দানদান চেনসহ বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদল অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। ওই বৈঠকেঅর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি আইএমএফ বৈশ্বিক অর্থনীতির যে প্রক্ষেপণ প্রকাশ করেছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এ বিশ্নেষণ করেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ওই সময় বৈশ্বিক জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে এমন শীর্ষ ২০ দেশের তালিকায় ঢুকবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অর্থনীতি সেখানে ১শ’ ভাগের দশমিক ৯ ভাগ অবদান রাখবে। যেখানে বিশ্বের অন্যতম উন্নত দেশ কানাডার অবদানও একই। ভবিষ্যত বৈশ্বিক অর্থনীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্লুমবার্গের এক বিশ্নেষণে বাংলাদেশের অর্থনীতির এ সম্ভাবনা উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বৈশ্বিক অর্থনীতির যে প্রক্ষেপণ প্রকাশ করেছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এ বিশ্নেষণ করেছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৪ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখবে চীন। চীনের অবদান থাকবে সবচেয়ে বেশি যা ২৮ শতাংশ। এর পরই রয়েছে ভারত। ওই সময়ে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভারতের অবদান দাঁড়াবে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এর পরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্ষমতাধর এই দেশটির অবদান থাকবে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। এর পরই রয়েছে ইন্দোনেশিয়া।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের সরকারের লক্ষ্য, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিনত হবে। তবে আমাদের অগ্রযাত্রার যে গতি পরিলক্ষিত হচ্ছে তাতে আশা করা যায় এর পূর্বেই আমরা সে আশা পূর্ণ করতে পারব। আশা করা যায়, অচিরেই বাংলাদেশ জি-২০ দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত হবে।

বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর দানদান চেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, রোহিঙ্গ শরনার্থীদের সহযোগীতা, আর্থিক খাত সংস্কারের পদক্ষেপ, নারীদের কর্মস্থান ও নারী ক্ষমতায়নের প্রশংসা করেন। আগামীতে বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।