১৪ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাজপাখির জন্য হাসপাতাল

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাজপাখিকে পরিবারের সদস্যদের মতোই দেখা হয়। তাই তাদের চিকিৎসার জন্য অত্যাধুনিক হাসপাতাল গড়ে তোলা হয়েছে।

বাজপাখি কেন গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপ্রাচ্য ও আরব অঞ্চলের বেদুইনেরা বাজপাখি দিয়ে শিকার ধরতেন। কারণ, শিকারকে জীবিত অবস্থায় ধরতে পারে বাজপাখি। ফলে ইসলাম ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী, হালাল মাংস পেতেন বেদুইনরা। সেই থেকে মরু সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে বাজপাখি।

দুর্ঘটনা : ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে বাজপাখি। এই অবস্থায় শিকারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আহত হতে পারে তারা। এছাড়া নামার সময় পরিমাপ সঠিক না হলে কিংবা বিষাক্ত মাংস খেয়ে ফেললেও বাজপাখির অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

হাসপাতাল : বাজপাখিদের চিকিৎসার জন্য আবুধাবিতে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাসপাতাল। সরকার ভর্তুকি দেয়ায় যে- কোনো আয়ের মানুষ এই হাসপাতালে বাজপাখি নিয়ে যেতে পারেন।

গবেষণাকেন্দ্র : চিকিৎসা দেয়া ছাড়াও হাসপাতালে বাজপাখিদের ওষুধ নিয়ে গবেষণা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এসব কাজের জন্য এই হাসপাতালটিই বিশ্বের প্রধান কেন্দ্র।

সন্তানের মতো : হাসপাতাল পরিচালক জার্মানির মার্গিট ম্যুলার বলেন, ‘বেদুইনদের সময় বাজপাখিকে সন্তানের মতো দেখা হতো। এখনও সেভাবেই দেখা হয়। তাই বাজপাখিদের জন্য সেরা চিকিৎসাব্যবস্থা চান তাঁরা। অনেক সময় দেখা যায়, মাঝরাতে বাজপাখি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁরা সকাল হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালে অপেক্ষা করেন।’

আছে পাসপোর্ট : আরব আমিরাতে বাজপাখিদের এতটাই গুরুত্ব যে, সেখানকার প্রতিটি বাজপাখির নামে পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। ফলে তারা মামুষের মতোই বিমানের কেবিনে বসে ভ্রমণ করতে পারে।

প্রতিযোগিতা : কোন বাজপাখি সবচেয়ে দ্রুতবেগে ছুটতে পারে তার একটি প্রতিযোগিতা হয় আরব আমিরাতে। ‘প্রেসিডেন্টস কাপ’ নামে এই প্রতিযোগিতার বিজয়ী সর্বোচ্চ ৭০ লাখ ডলার জিতে নিতে পারে। সূত্র: ডয়েচে ভেলে