২৩ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মডেল হতে গিয়ে যৌনদাসী!

মডেল হতে গিয়ে যৌনদাসী!

অনলাইন ডেস্ক ॥ আমেরিকান তরুণী আইরিকা ক্রেহম। স্বপ্ন জেগেছিল মডেল হবেন। সেই মতো ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগও করেছিলেন। কিন্তু তার জানা ছিল না যে, প্রতিষ্ঠানটি মডেল তৈরির নামে নারী পাচারের সঙ্গে জড়িত। ফলাফল, মডেল হতে গিয়ে মানবপাচার চক্রের খপ্পরে পড়ে যৌনদাসী হতে হয়েছিল তাকে।

সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে সেই বাজে অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন আইরিকা। ২০ বছর বয়সী এই তরুণী নিউ ইয়র্কের ব্যস্ত রাস্তা থেকে পাচার হয়েছিলেন বলে জানান।

সেই সময়কার অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে তিনি জানান, ‘একটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি বলে পরিচয় দিয়েছিল। সেখানে একটি দুই কক্ষের ঘরে প্রায় ২১ জন থাকতাম। আমরা কোথায় যাচ্ছি তা জানিয়ে যেতে হতো। ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিকে টাকা দেয়ার জন্য খুচরা কাজ করতে শুরু করি।’

একটি নাইট ক্লাবে কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে আইরিকা বলেন, ‘আমাকে ড্রাগ খাইয়ে এজেন্সির এক ম্যানেজার ধর্ষণ করেছিল। পালিয়ে যাওয়ার পর রাস্তা থেকে আবার আমাকে একজন তুলে নিয়ে যায়। এরপর আবার ড্রাগ দেয়া হয়। পরের দিন সকালে নিজেকে বিছানায় বাঁধা অবস্থায় পাই।’

বহু দিন এভাবে চলার পর জায়গা পরিবর্তন হওয়ার পর একদিন তিনি পালাতে সক্ষম হয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন আইরিকা।

তবে শুধু আইরিকা নন, বিশ্বজুড়ে সেক্স ট্রাফিকিংয়ের শিকার নারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, নারী ও শিশুরা এর শিকার হয় বেশি। গত বছর যৌনতার জন্য পাচার হওয়া ঘটনার প্রায় পাঁচ মিলিয়ন অভিযোগ জমা পড়েছিল।