১৪ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দুর্যোগ প্রতিরোধে তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার

  • রেজা নওফল হায়দার

ভৌগোলিক ও ভূতাত্ত্বিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগের প্রকোপ যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে এর ক্ষতির মাত্রা ও ক্ষতির পরিধি এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রতিনিয়ত বাড়ছে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি। বিগত দশকে দুর্যোগ ঘটনের সংখ্যা ও তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের পথ পরিবর্তন ও ঘটনের সংখ্যা, তীব্রতা বৃদ্ধিতে দুর্যোগ প্রস্তুতি কার্যক্রম, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। বাংলাদেশে ১৬ কোটির বেশি জনগণের বসবাস যা পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ঘনবসতির দেশ হিসেবে পরিচিত।

বিশ্বের অনেক দেশই এখন দুর্যোগের প্রাথমিক লক্ষণ অনুসন্ধানের জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এটি বেশ আগের প্রযুক্তি। বাংলাদেশও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেই আবহাওয়ার পূর্বাভাসসহ দুর্যোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো সংগ্রহ করে থাকে। বাংলাদেশ ১৯৮০ সাল থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে। বাংলাদেশ দুটি কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে ছবি সংগ্রহ করে থাকে। এই উপগ্রহ দুটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নোয়া এবং এফওয়াইটুসি। ১৯৮০ সারে পর থেকে বাংলাদেশ শুধু নোয়া থেকে প্রতিদিন দুটি করে ছবি সংগ্রহ করতো। এই ছবি থেকেই নির্ণয় করা হতো প্রাকৃতিক দূর্যোগের খবরাখবর। এফওয়াইটুসি ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবরাখবর নির্ণয় করা অনেক সহজ হয়ে গেছে। এফওয়াইটুসি একটি আবহাওয়াবিষয়ক কৃত্রিম উপগ্রহ। ধারণা করা হচ্ছে, এফওয়াইটুসি ব্যবহার করে ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান নির্ণয় করা হয়েছে বলেই এবারের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক কম। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এই কৃত্রিম উপগ্রহপ্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রযুক্তি।

কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির অনেক আধুনিকায়ন হয়েছে। এমন অনেক কৃত্রিম উপগ্রহ আছে, যেগুলো এফওয়াইটুসির মতো নয়। এফওয়াইটুসি আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে ছবি তৈরি করে। কিন্তু এ ধরনের ছবি তোলার ক্ষেত্রে একমাত্র সমস্যা হলো আলো, স্বল্প আলো বা মেঘলা আকাশে কৃত্রিম উপগ্রহগুলো ছবি তুলতে পারে না। এই ছবি তোলার প্রক্রিয়ার আধুনিকায়ন হয়েছে। আলোর সাহায্য ছাড়াই মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমেও ছবি তোলা যায়। সেক্ষেত্রে আলো কোন সমস্যা নয়। এ ধরনের কৃত্রিম উপগ্রহগুলোর জন্য মাটিতে আলাদা মাইক্রোওয়েভ বেইজ স্টেশন থাকতে হয়। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ট্রান্সমিট করা মাইক্রোওয়েভ কৃত্রিম উপগ্রহে প্রতিফলিত হবার ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ছবি তৈরি করা হয়। এ ধরনের কৃত্রিম উপগ্রহ কিছুটা ব্যয়বহুল। পৃথিবীর অনেক দেশই এখন এ ধরনের কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্যে দুর্যোগের পূর্বাভাস সহকারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করে।

তথ্যভিত্তিক ওয়েব প্রযুক্তি ॥ ইন্টারনেটের মাধ্যমেও এখন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্ভব। এখনকার সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইটগুলো প্রতিনিয়ত নিজেদের সংবাদ-তথ্য হালনাগাদ করে থাকে। এই হালনাগাদ করা শুধু যে সংবাদভিত্তিক তা নয়। এগুলো যথাযথ চিত্রভিত্তিক। যেমন বিবিসি, সিএনএন, এপি, এএফপি প্রভৃতি সাইটগুলো দুর্যোগের চিত্রভিত্তিক সংবাদ প্রচার করেছে। সংবাদভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন অত্যাধুনিক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। তাছাড়াও চিত্রভিত্তিক বিভিন্ন সাইট সাম্প্রতিক আবহাওয়াসংশিষ্ট ছবি প্রকাশ করে থাকে। যেমন নাসার আর্থ অবজারভেটরি, ইয়াহু ইমেজ প্রভৃতি। তাছাড়াও আবহাওয়াভিত্তিক অনেক ওয়েবসাইট আছে, যেগুলো থেকে খবরাখবর নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্ভব। কিছু কিছু ওয়েবসাইট আবহাওয়াসংশ্লিষ্ট ভিডিও প্রকাশ করে থাকে। যেমন- ইউটিউব। এই সাইটগুলোতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড় সিডরের বিভিন্ন তথ্য ও ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। সুতরাং ইন্টারনেট থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্ভব। ওয়েব সাইট : www.youtube.com,ww w.afp. com,ww w.ap.org, news.bbc.co.uk/1/ hi/world/asia-pacific/default.stm

আরওবেশ কিছু বিষয়ে আমরা নজর দিতে পারি ॥ যে কোন দুর্যোগে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়াদান এবং বিশেষতঃ আগাম সতর্ক সংকেত প্রচার সংশিষ্ট দুর্যোগ সাড়াদান কেন্দ্রগুলো, যথা- বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র ইত্যাদি এর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করার নিমিত্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে স্থাপিত কন্ট্রোল রুমে পরিবর্তন করে ‘জাতীয় দুর্যোগ সাড়াদান সমন্বয় কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কেন্দ্রটিতে প্রয়োজনীয় ইকেলট্রনিক যন্ত্রপাতি ও টেলিফোন স্থাপন করে Video Workshop অনুষ্ঠানের উপযোগী করা হয়েছে। কেন্দ্রটি সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হয় এবং প্রতিদিন ‘দুর্যোগ সংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদন’ প্রকাশ করা হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচী সহায়তায় জাতীয় পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তথ্য কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ৪৮৫টি উপজেলায় ও সকল জেলায় যথাক্রমে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসের সঙ্গে Network স্থাপন করা হয়েছে। দুর্যোগে আগাম সতর্ক বার্তা প্রচারে মোবাইল প্রযুক্তি- মোবাইল ফোনভিত্তিক প্রযুক্তি যথা: SMS (Short Message Service) I IVR (Inter-active Voice Response) ভিত্তিক দুর্যোগ সতর্কীকরণ পদ্ধতি প্রচলন করা হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে নির্মিত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যাদি ওয়েবসাইটভিত্তিক ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ ডাটাবেইজটিতে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর কাঠামোগত এবং আনুষঙ্গিক তথ্য যেমন: ভৌগোলিক অবস্থান (অক্ষাংশ/দ্রাঘিমাংশ), ব্যবহার উপযোগিতা, ধারণক্ষমতা, ইত্যাদি সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ ডাটাবেইজটির তথ্য ব্যবহার করে নতুন ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের সঠিক স্থান নির্ধারণ করা, ঘূর্ণিঝড়ের সময় লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার জন্য উপযুক্ত পথ নির্ধারণ করা এবং আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা ও মেরামতের প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ করা যাবে।

বিভিন্ন দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ- দেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে বিভিন্ন দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের উদ্দেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরে একটি ডিএনএ সেল (Damage and Need Assessment- DNA Cell) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ডিএনএ সেলে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যার স্থাপন ও সংযোজন করা হয়েছে। এই সেলের মাধ্যমে একটি Web-based Damage and Need Assessment Application তৈরির কাজ চলমান রয়েছে, যার মাধ্যমে অনলাইনে দ্রুততার সঙ্গে মাঠপর্যায় থেকে যেকোন দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সরাসরি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সার্ভারে সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ মন্ত্রণালয়ের সিটিজেন চার্টারের অন্তর্ভুক্ত নাগরিক সেবাগুলো দ্রুত জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছানোর জন্য গৃহীত উদ্যোগ সমূহ নিচে দেয়া হলো :

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন জনগোষ্ঠীকে সতর্ক করার জন্য মোবাইল ফোনভিত্তিক ৩ (তিন) ধরনের প্রযুক্তি যথা: CBS, SMS I IVR নির্ভর দুর্যোগ সতর্কীকরণ পদ্ধতি প্রচলন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে:

IVR: মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দুর্যোগের আগাম বার্তা জনগণের চাহিদা মোতাবেক অবহিতকরণের জন্য Interactive Voice Response (IVR) নামক উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। এখন যে কেউ সিটিসেল ব্যতীত যে কোনে মোবাইল অপারেটরে ১০৯৪১ ডায়াল করে আবহাওয়ার সর্বশেষ তথ্য জানতে পারবেন।

ঈইঝ: নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের নিকট দুর্যোগের সতর্কবার্তা দ্রুত পৌঁছানোর জন্য মোবাইল ফোনের Cell Broadcasting (CB) প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় প্রবণ কক্সবাজার এবং বন্যা প্রবণ সিরাজগঞ্জ জেলায় মোবাইল ফোনের ঈই প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুর্যোগের আগামবার্তা প্রেরণের পরীক্ষামূলক পাইলট অপারেশন শুরু করা হয়।

SMS Alert: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত নির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট দুর্যোগের আগাম সতর্ক বার্তা পৌঁছানোর জন্য ঝগঝ Alter ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫৪টি জেলা এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সদস্য সচিবদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে ডাটাবেইজ তৈরি করা হয়েছে।

Social Protection Management Information System (SPMIS): সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচীর সুষ্ঠু তদারকী ও নীতি নির্ধারণে সহায়তার জন্য বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ/বিতরণ কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্যাদি ডাটাবেইজ এ সংরক্ষণ করার জন্য ওয়েবসাইটভিত্তিক ঝচগওঝ প্রবর্তন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের জেলাভিত্তিক কার্যক্রম ওয়েব পোর্টালে প্রকাশ করা হচ্ছে এবং এ পোর্টালটির লিংক ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রের পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

Microyonation Map: আইসিটি নির্ভর Microyonation Map ভূমিকম্পের ঝুঁকি মুক্ত নগরায়ণের কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যা শহরের ভৌত পরিকল্পনা, উপযুক্ত ভূমি ব্যবহার, নতুন নগরায়ণের উপযুক্ত স্থান চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, বিল্ডিং কোড হালনাগাদকরণ, পুরনো অবকাঠামো মেরামত/পুন:নির্মাণ/রেট্রোফিটিং কাজে ব্যবহার করা হয়। ভূমিকম্পজনিত বিপদাপন্ন এবং ঝুঁকি বিবেচনা করে দেশের ৩ (তিন) বড় শহর যথা: ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট Microyonation Map তৈরি করা হয়েছে। দেশের ঝুঁকিপূর্ণ আরও ৬ (ছয়) টি শহর যথা: টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং রাজশাহীর Microyonation Map তৈরির কাজ সম্পন্ন।

Cyclone Shelter Database: উপকূলীয় অঞ্চলে নির্মিত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যাদি ওয়েবসাইট ভিত্তিক ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ ডাটাবেইজটিতে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর কাঠামোগত এবং আনুষঙ্গিক তথ্য যেমন: ভৌগোলিক অবস্থান (অক্ষাংশ/দ্রাঘিমাংশ), ব্যবহার উপযোগিতা, ধারণক্ষমতা, ইত্যাদি সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ ডাটাবেইজটির তথ্য ব্যবহার করে নতুন ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের সঠিক স্থান নির্ধারণ করা, ঘূর্ণিঝড়ের সময় লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার জন্য উপযুক্ত পথ নির্ধারণ করা এবং আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা ও মেরামতের প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ করা যাবে।

Inundation Map/Risk Map for Storm Surge: বাংলাদেশের দক্ষিন উপকূলীয় অঞ্চল প্রায় প্রতি বছর ঘূর্ণিঝড়জনিত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়, ফলে জীবন-জীবিকা এবং অবকাঠামোর ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য দেশের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলের জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যার স্থানভিত্তিক গভীরতার তথ্য নির্ভর Inundation Map/Risk Map for Storm Surge তৈরি করা হয়েছে, এ মানচিত্র হতে এ সকল এলাকার ঘর বাড়ির ভিটা কতটুকু উঁচু করতে হবে, আশ্রয়কেন্দ্র, রাস্তা বা অন্যান্য অবকাঠামো কতটুকু উঁচুতে করতে হবে, তার ধারণা পাওয়া যাবে।