২৬ মে ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দুধে কীটনাশক প্রতিবেদনসহ ডাঃ শাহনীলাকে ডেকেছে হাইকোর্ট

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির (এনএফএসএল) গবেষণায় গাভীর দুধে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক ও নানা ধরনের এ্যান্টিবায়োটিকের উপাদান পাওয়া সংক্রান্ত প্রতিবেদনসহ প্রতিষ্ঠানটির ডাঃ শাহনীলা ফেরদৌসকে হাজির হতে বলেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঢাকাসহ সারাদেশের বাজারে কোন কোন কোম্পানির দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্যপণ্যে কী পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া, কীটনাশক এবং সিসা মেশানো রয়েছে, তা নিরূপণ করে একটি তালিকা তৈরি ও জড়িতদের বিরুদ্ধে গৃহীত আইনী পদক্ষেপ প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে পুনরায় নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুহম্মদ ফরিদুল ইসলাম। বিএসটিআইর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সরকার এম আর হাসান। আদালতের শুনানিতে বিএসটিআইয়ের আইনজীবী বলেন, আমরা দুধ এবং দই বাজারজাতের জন্য অনুমতি দিয়েছি। আমরা এ বিষয়টি তদারকি করি। তবে পুরোপুরি প্রতিবেদন জমা দিতে সময় দরকার। শুনানির এক পর্যায়ে আদালত বলে, কত সময় দরকার, কমপক্ষে এক মাস। আদালত বলেন, কোন কোন কোম্পানির তরল দুধে ভেজাল ও ক্ষতিকর পদার্থ আছে তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানতে চাই। এটা এলার্মিং ইস্যু বলেও মন্তব্য করেছে হাইকোর্ট। বিএসটিআইয়ের আইনজীবীকে উদ্দেশ করে আদালত আরও বলে, বিএসটিআইয়ের বিবেকে কি দংশন করে না। কিভাবে ভেজাল দুধগুলো বাজারে সয়লাব করছে। পরে কোন কোন কোম্পানির তরল দুধে ভেজাল ও ক্ষতিকর পদার্থ আছে সে বিষয়ে পরিপূর্ণ প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট। একমাস সময় চেয়েছে বিএসটিআই।