২৫ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রায় আড়াই মাস পর নিজ দফতরে ওবায়দুল কাদের

প্রায় আড়াই মাস পর নিজ দফতরে ওবায়দুল কাদের

অনলাইন রিপোর্টার ॥ প্রায় আড়াই মাস পর সচিবালয়ে দাফতরিক কাজে ফিরেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। চিকিৎসা শেষে নিজ মন্ত্রণালয়ে এসে সব প্রকল্প কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধানদের বৈঠকে ডেকেছেন তিনি।

আজ রবিবার সকাল ১০টার কিছু সময় পর প্রকল্প প্রধানদের এবং কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন তিনি।

মন্ত্রণালয়ে আসার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সেতুমন্ত্রী।এসময় তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে ও দেশবাসীর দোয়ায় আমি বেঁচে আছি। আমার বেঁচে থাকা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন অনেকেই।

চিকিৎসার সার্বিক তত্ত্বাবধান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মমত মাতৃস্নেহে আমার চিকিৎসার ব্যবস্থা করিয়েছেন, সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছেন। আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।

সবার সহযোগিতা কামনা করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমি নতুন করে পথ চলতে চাই। বাকী জীবনটা দেশের ও মানুষের সেবায় কাটিয়ে দিতে চাই।

সূত্র জানায়, আজ থেকেই কাজে নেমে পড়বেন ওবায়দুল কাদের। দলে এবং মন্ত্রণালয়ে সাধ্যমতো সময় দেবেন। তবে, পুরোদমে কাজ শুরু করতে আরও মাস খানেক সময় লাগবে। তাই, আপাতত দলীয় কার্যালয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

এর মধ্যে গত দু’দিন ওবায়দুল কাদেরের বাসায় গিয়ে অনেকেই সাক্ষাৎ করেছেন। তার মন্ত্রণালয় ও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা ও ফুল নিয়ে গিয়েছিলেন। এছাড়া দিনভর রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা তার বাসায় ভিড় করেছিলেন।

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে বুধবার ২ মাস ১১ দিন পর দেশে ফেরেন ওবায়দুল কাদের। ওইদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে বহনকারী বিজি-০৮৫ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

গত ৩ মার্চ সকালে বুকের ব্যথা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের। পরে উপমহাদেশের বিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠির পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৪ মার্চ তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। ওই রাতেই মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ডা. ফিলিপ কোহ’র নেতৃত্বে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসায় একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। পরে গত ২০ মার্চ ওই হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি করেন মেডিক্যাল বোর্ডের সিনিয়র সদস্য কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. সিবাস্টিন কুমার সামি। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে গত ২৬ মার্চ ওবায়দুল কাদেরকে হাসপাতালের আইসিইউ থেকে কেবিনে নেওয়া হয়।