২৫ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কৃষি শুমারির তথ্য সংগ্রহ ৯ থেকে ২০ জুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সারাদেশের শহর ও পল্লী এলাকায় শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সে লক্ষ্যে আগামী ৯ জুন থেকে শুরু হচ্ছে মাঠ পর্যায়ে কৃষি শুমারির তথ্য সংগ্রহ; যা চলবে আগামী ২০ জুন পর্যন্ত। এ লক্ষ্যে বিভাগীয় ও জেলা সমন্বয়কারীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

রবিবার তিনদিনের এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মোঃ রইছউল আলম মন্ডল এবং কৃষি সচিব মোঃ নাসিরুজ্জামান। এছাড়া পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, জাতীয় কৃষি শুমারি-২০১৯’র সমন্বয়ক বিবিএস’র মহাপরিচালক কৃষ্ণা গায়েন বক্তব্য রাখেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মোঃ জাফর আহমেদ।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, পরিসংখ্যান ব্যুরোর সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয় বা অন্যকোন সংস্থার তথ্যের গ্যাপ কমিয়ে আনতে হবে। যেমন ধানের উৎপাদন ও বাস্তবতার হিসাবের মধ্যে ফারাক থাকে। সেটি কমিয়ে আনতে হবে। কৃষি শুমারি সঠিকভাবে করতে হলে টিম ওয়ার্ক করতে হবে। আপনারা প্রশিক্ষণ নেবেন। তারপর কাজ করবেন নিজেদের জন্য, দেশের জন্য। কাজকে নিজের ভাবতে হবে। তদারকি ঠিকমতো করতে হবে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, পরিসংখ্যান বিষয়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। এজন্য সুন্দর একটি জায়গা খুঁজে বের করে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) জমা দেন। তাহলে আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিয়ে যেতে পারব। আমরা চাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি সেন্টার অব এক্সিলেন্সি হিসেবে গড়ে উঠুক। প্রধানমন্ত্রী সব সময়ই চান বেশি বেশি গবেষণা হোক।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোঃ নাসিরুজ্জামান বলেন, তথ্যের গড়মিল দূর করা প্রয়োজন। নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবারের চেষ্টা চলছে। তবে, সেটি সহজ কাজ নয়। ধীরে ধীরে সম্ভব হবে। তাছাড়া, বর্তমানে ধানের দাম যে কম এটি একটি মধুর বিড়ম্বনা। কেননা, উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম কমেছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মোঃ রইছউল আলম ম-ল বলেন, কৃষিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের ব্যাপক অবদান থাকলেও সেটির সঠিক হিসাব অর্থনীতিতে আসে না। আশা করছি কৃষি শুমারিতে এসব তথ্য যথাযথভাবে আসবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ধারাবাহিকভাবে কৃষি শুমারির কার্যক্রম চলবে। প্রথম জোনাল অপারেশন শুরু হয়েছে গত বছরের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরপর দ্বিতীয় জোনাল অপারেশন গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। শুমারির প্রস্তুতি শুরু হয় গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। শুমারির প্রশিক্ষণ ১৯ মে থেকে শুরু হয়ে ১ জুন পর্যন্ত চলবে। আর মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে ৯ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত।