২৬ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শেয়ারবাজারে ৬৩ ভাগ কোম্পানির দরপতন

শেয়ারবাজারে ৬৩ ভাগ কোম্পানির দরপতন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দেশের শেয়ারবাজারকে স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে নানাবিধ পদক্ষেপ নেয়া হলেও পতনেই ঘুরপাক খাচ্ছে। সোমবারের মতো মঙ্গলবার পতনে শেষ হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন। এদিন উভয় শেয়ারবাজারের সব সূচক কমেছে। একইসঙ্গে কমেছে ঢাকার পরিমাণে লেনদেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬৩ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৫৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর কমেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সকালে সূচকের ইতিবাচক প্রবণতা থাকলেও নতুন কোম্পানি রানার অটোমোবাইলের লেনদেন শুরু স্বাভাবিক বাজারকে প্রভাবিত রয়েছে। সার্বিক লেনদেনের আগ্রহ এই কোম্পানিকে ঘিরে থাকার কারণে সূচকেও ওঠানামা চলতে থাকে। ফলে অনেক বিনিয়োগকারীই হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে রানার অটোমোবাইলের পেছনে ছুটতে থাকে। দিনশেষে তাই সার্বিক সূচকের ওপর চাপ পড়ে। দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৯ পয়েন্ট কমে দাড়িয়েছে ৫ হাজার ২৩৬ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৪ ও ডিএসই-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে দাড়িয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ১৯৫ ও ১ হাজার ৮২২ পয়েন্টে।

জানা গেছে, ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৫১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। যা আগের দিন থেকে ৩৬ কোটি টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৩৮৭ কোটি টাকার।

ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৪৭টি কোম্পানির মধ্যে ৮৭টির বা ২৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে দাম কমেছে ২১৭টি বা ৬৩ শতাংশ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৩টি বা ১২ শতাংশ কোম্পানির।

ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে রানার অটোমোবাইলের। এদিন কোম্পানিটির ৩৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফরচুন সুজের ১৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে এবং ১২ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠে আসে এসকে ট্রিমস। এই তালিকায় উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে - বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, ব্র্যাক ব্যাংক, ডরিন পাওয়ার, ইস্টার্ন কেবল, ন্যাশনাল টিউব, এস্কোয়্যার নিট কম্পোজিট এবং বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৭৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ২৬ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৩৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ১২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৩টির দর। সেখানে ৩৬ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।