২৭ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আমে রাসায়নিক প্রয়োগ ঠেকাতে পুলিশী টহল জোরদার

বিশ্বজিৎ মনি, নওগাঁ ॥ আমের ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার ঠেকাতে এবং ভোক্তাদের কাছে নিরাপদ ও মানসম্মত আম তুলে দিতে নওগাঁর আম বাগানগুলোতে চলছে পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের বিশেষ নজরদারি। পাশাপাশি রাসায়নিকে পাকানো আম বাজারজাতকরন ঠেকাতে কৃষি বিভাগ থেকে নেয়া হয়েছে বিভিন্ন সচেতনতামূলক পদক্ষেপ। আর তা মেনে চলছেন বাগান মালিকরা।

আমের দ্বিতীয় রাজধানী নামে পরিচিত নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চল পোরশা, সাপাহার, নিয়ামতপুর ও পতœীতলা উপজেলা। আম চাষ লাভজনক হওয়ায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে নওগাঁর এই অঞ্চলে আমের চাষ। নওগাঁয় উৎপাদিত আম শুধু দেশেই নয়, যাচ্ছে দেশের বাইরেও। আদালতের নির্দেশ মেনে নওগাঁর আম বাগানগুলোতে নিয়মিত টহল দিচ্ছে পুলিশ।

পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগও বিশেষ নজরদারি রাখছেন এবং বাগানীদের সচেতনতামূলক পরামর্শ দিচ্ছেন। আম গাছে চাষীরা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করছে কি না সে বিষয়ে নজরদারি চলছে পুরোদমে। এদিকে আদালতের আদেশকে স্বাগত জানিয়েছেন, নওগাঁর ভোক্তারা। তবে এই ধারা চলমান চান ভোক্তারা। আদালত কীটনাশক ব্যবহারের যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তাতে ভোক্তারা উপকৃত হবে। গাছ থেকে আম নামানো এবং ভোক্তাদের হাতে পৌঁছা পর্যন্ত যেন এই নজরদারি অব্যাহত থাকে। এর পাশাপাশি আমের বাজারেও অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। বিষমুক্ত, নিরাপদ ও মানসম্মত আম খেতে পারবেন ভোক্তারা। কীটনাশক ব্যবহার না করার ফলে খাঁটি ফলের স্বাদ পাবেন ভোক্তারা। আদালতের আদেশ মেনে চললে আমরা সকলেই উপকৃত হব বলে জানিয়েছেন ভোক্তারা।

সাপাহার উপজেলার আমবাগান মালিক তছলিম উদ্দিন ও রফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকেই বলেন, আদালতের আদেশ তারা সব সময় মেনে চলেন। তারা কোন দিনই ক্ষতিকর কীটনাশক প্রয়োগ করেননি। কিন্তু গাছে আম ধরে রাখার জন্য স্প্রে করতে হয়। যে স্প্রের বিষক্রিয়া প্রয়োগের সাতদিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। বাগান থেকে আম যখন আড়তে যায়, তখন কিছু অসৎ ব্যবসায়ী বেশি মুনাফার আশায় আমে ক্ষতিকর ওষুধ প্রয়োগ করে। এ অঞ্চলের আম বাগানগুলো হাইব্রিড জাতের। তাই কোন রাসায়নিক ব্যবহার করতে হয় না। আগে সামান্য কিছু কীটনাশক ব্যবহার করলেও বর্তমানে আদালতের আদেশ মেনে চলা হচ্ছে।

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া