২৭ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রায় ৪ মেগাওয়াট সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ক্রয় প্রস্তাব

প্রায় ৪ মেগাওয়াট সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ক্রয় প্রস্তাব

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রায় ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের একটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পাবনা জেলার বেড়া উপজেলায় যৌথভাবে এটি বাস্তবায়ন করবে মোস্তফা মটর লিমিটেড এবং সোলারল্যন্ড ইলেকট্রিক সাইন্স এ্যান্ড টেকনোলজি লিমিটেড। ২০ বছর মেয়াদে এ কেন্দ্র থেকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৮ দশমিক ৫৯ টাকা দরে বিদ্যুত কিনবে সরকার।

বুধবার এ সংক্রান্ত প্রস্তাবসহ তিনটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটি। এছাড়া পুর্বাচল সিটিতে সার্ফেস ওয়াটার তথা মাটির উপরিভাগের পানি সরবরাহ সংক্রান্তসহ দু’টি প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটি। শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে দুটি কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে বলেন, সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বিজেএমসির নিকট থেকে ৩০ কেজি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ১ কোটি পিস হেসিয়ান বস্তা ক্রয় করবে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এতে খারচ খাদ্য মন্ত্রণালয়েল খরচ হবে ৫৪ কোটি টাকা। বিভিন্ন কারণে বিজেএমসির পাটকলগুলো অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকে তারপর কি তাদের এ পরিমাণ বস্তা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পাটকলগুলোতে ৪৪ হাজার কর্মী রয়েছে। এখনো তাদের বেতন দেয়া হচ্ছে। তাই আমি আশাকরি অবশ্যই এ পরিমাণ বস্তা উৎপাদন করতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, ভূরঙ্গামারী-সোনাইহাট স্থলবন্দর-ভিতরবন্দ-নাগেশ্বরী মহাসড়কের দুধকুমর নদীর উপর একটি সেতু স্থাপনের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ১৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এ ব্রিজটি স্থাপন করবে এমএম বিল্ডার্স লিমিডেট। এছাড়া অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের পুর্বাচল সিটি হচ্ছে। এ সিটিতে মেঘনা নদী থেকে পানি আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে যে পর্যন্ত মেঘনা থেকে পানির না আসবে সে পর্যন্ত আমরা সার্ফেস ওয়াটার তথা মাটির উপরিভাগের পানির ব্যবস্থা করবো। কারণ ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করলে অনেক সমস্যা হতে পারে। তাই এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এ প্রকল্পটি পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এছাড়া বৈঠকে নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায় জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে স্থাপনে একটি প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়।

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া