২৬ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আমরা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সক্ষম হব

 সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আমরা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সক্ষম হব
  • বঙ্গবন্ধুর ‘জুলিও কুরি’ শান্তিপদক প্রাপ্তির বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ উন্নত ও সমৃদ্ধ এবং শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিত প্রয়াসের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলিও কুরি’ শান্তিপদক প্রাপ্তির ৪৬তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক বাণীতে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, আশা করি, সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আমরা ‘রূপকল্প ২১’ ও ‘রূপকল্প ৪১’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত-সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো। জাতির জনকের ‘জুলিও কুরি’ শান্তিপদক প্রাপ্তির ৪৬তম বার্ষিকী এবং জুলিও কুরি বঙ্গবন্ধু সংসদ প্রবর্তিত ‘বঙ্গবন্ধু শান্তিপদক’ প্রদান উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংঘাতময় পরিস্থিতি উত্তরণেও তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। তিনি বলেন, বিশ্ব শান্তি পরিষদের শান্তিপদক কমিটি জাতির পিতার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ২৩ মে তাকে (বঙ্গবন্ধু) ‘জুলিও কুরি’ শান্তিপদকে ভূষিত করে। এটি ছিল বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতির জনকের অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। দেশের জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মান।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বিশ্বের মুক্তিকামী, নিপীড়িত, মেহনতি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা। শান্তি, সাম্য, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জেল-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছেন। জাতির পিতার অতুলনীয় সাংগঠনিক দক্ষতা, প্রজ্ঞা, মানবিক মূল্যবোধ, ঐন্দ্রজালিক ব্যক্তিত্ব বাঙালী জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ করে। তাঁর নির্দেশে গোটা বাঙালী জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’ এবং ‘সকল বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান’কে পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেন, আমরা যখনই সরকার পরিচালনায় এসেছি, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতার নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করেছি। অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল আদর্শকে শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছি। আইনের শাসনের প্রতি আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বিরোধ নিষ্পত্তিতে সাহায্য করেছে। আমরা ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছি।

জুলিও কুরি বঙ্গবন্ধু সংসদের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশা করেন, জুলিও কুরি বঙ্গবন্ধু সংসদ জাতির পিতার ‘জুলিও কুরি’ শান্তিপদক অর্জনের জাতীয় ইতিহাস সংরক্ষণের পাশাপাশি গণমানুষের কাছে তুলে ধরতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।