২৬ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উত্তর প্রদেশে বিজেপিকে আটকাতে পারল না মায়াবতী-অখিলেশ জোট

উত্তর প্রদেশে বিজেপিকে আটকাতে পারল না মায়াবতী-অখিলেশ জোট

অনলাইন ডেস্ক ॥ ভারতের লোকসভায় সবচেয়ে বেশি আসন থাকা রাজ্য উত্তর প্রদেশের ভোট গণনায় এগিয়ে আছে বিজেপি।

এখন পর্যন্ত রাজ্যটির ৮০টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৫০টিরও বেশি আসনে এগিয়ে আছে, জানিয়েছে এনডিটিভি।

এর আগে ২০১৪ সালে বিজেপি ও তাদের জোট মিত্র আপনা দল উত্তর প্রদেশের ৭৩টি আসনে জয় পেয়েছিল। এবার মায়াবতী-অখিলশ যাদবের জোটের কারণে তাদের আসন কিছুটা কমবে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

এই রাজ্যের প্রচারণায় প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ভদ্রকে নামিয়ে কংগ্রেস প্রভাব বিস্তার করতে চাইলেও তারা মাত্র দুইটি আসনে এগিয়ে আছে। আমেথি আসনে বিজেপির স্মৃতি ইরানি চেয়ে পিছিয়ে আছেন কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী।

বিজেপির প্রভাবশালী প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা গান্ধী সুলতানপুরে ও সন্তোষ গাঙ্গওয়ার বারেলিতে এগিয়ে আছেন। মানেকার পুত্র বরুণ গান্ধী পিলিবিথ আসনে এগিয়ে আছেন।

সমাজবাদি পার্টির প্রধান মুলায়াম সিং যাদব মনিপুরি আসনে এবং পুত্র অখিলেশ যাদব আজমগর আসনের ভোট গণনায় এগিয়ে আছেন। কানৌজ আসনের প্রার্থী অখিলেশের স্ত্রী ডিম্পল যাদবও এগিয়ে আছেন।

এই রাজ্যে মায়াবতী-অখিলেশ জোট ৫০টিরও বেশি আসনে জয় পাওয়ার আশা করেছিল। যাদব ও মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোটে ভর করে বিজেপিকে পেছনে ফেলার প্রত্যাশা করেছিলেন তারা। কিন্তু ভোট গণনায় যে ফলাফলের আভাস পাওয়া যাচ্ছে তা এই জোটকে বিব্রত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

একদিন আগেও মায়াবতী ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছিলেন। কিন্তু যেই আশায় ভর করে তিনি এই প্রত্যাশা জানিয়েছিলেন তা মিলিয়ে গেছে।

এখানে কংগ্রেসের পরিস্থিতি আরও শোচনীয়। তারা রাজ্যটির অধিকাংশ আসনে প্রার্থী দিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালালেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাবে না বলেই আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে দায়িত্ব দেওয়ায় উত্তর প্রদেশে তাদের ভোটের পালে জোর হাওয়া লাগবে বলে আশা করছিল কংগ্রেস, কিন্তু বারাণসী থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রার্থীতা ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের শক্তিকেন্দ্র গোরক্ষপুর যে রাজ্যটিতে অবস্থিত সেখানে প্রিয়ঙ্কা ফ্যাক্টর কোনো প্রভাব রাখতে পারেনি বলেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

ধারণা করা হচ্ছে কংগ্রেসকে জোটের বাইরে রাখার মায়াবতীর সিদ্ধান্তে বিজেপি-বিরোধী ভোট ভাগাভাগি হয়ে খোদ বিজেপিরই সুবিধা করে দিয়েছে।