২৫ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কলেজছাত্র রাজীবের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের রায় ২০ জুন

কলেজছাত্র রাজীবের মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের রায় ২০ জুন

অনলাইন রিপোর্টার ॥ দুই বাসের ফাঁকে আটকে পড়ে হাত হারানোর পর নিহত কলেজছাত্র রাজীবের মৃত্যুতে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে করা রিটের রায় পিছিয়েছে। আদালত আগামী ২০ জুন রায়ের নতুন দিন ধার্য করেছেন। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার নতুন এই তারিখ ধার্য করেন।

এর আগে ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুলসহ কয়েকটি বিষয়ে রুলের শুনানি শেষে ১৯ মে হাইকোর্ট ২৩ মে রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি রায়ের জন্য কার্যতালিকায় ওঠে। কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত হলে সংশ্লিষ্ট যানের ইনস্যুরেন্সকারী কোম্পানি কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে, বিষয়টি নিয়ে আদালতে শুনানি হয়। ইনস্যুরেন্স–সংক্রান্ত এই বিষয় সামনে আসার প্রেক্ষাপটে আদালত শুনানি নিয়ে রায়ের ওই দিন ধার্য করেন।

আজ আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আবেদনকারী আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস। বিআরটিসির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাতার হোসেন।

গত বছরের ৩ এপ্রিল দুই বাসের রেষারেষিতে এক হাত হারান তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব হোসেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১৬ এপ্রিল তিনি মারা যান। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৮ মে হাইকোর্ট এক আদেশে রাজীবের দুই ভাইকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন, যার মধ্যে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে এক মাসের মধ্যে ২৫ লাখ করে ৫০ লাখ টাকা জমা দিতে বলা হয়। এর বিরুদ্ধে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহন আপিল বিভাগে আবেদন করে।

এ অবস্থায় গত বছরের ২২ মে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য দায় নিরূপণে একটি স্বাধীন কমিটি গঠন করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দেন। এ অনুসারে দায় নিরূপণে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি গত অক্টোবরে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করে। চলতি বছরের ১০ এপ্রিল রুলের ওপর শুনানি শুরু হয়, যা ১৯ মে শেষ হয়।