১৮ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কবিতা ॥ তিনটি কবিতা

বিনয় কর্মকার

বয়স

ভেবেছিলাম রংগুলোই বদলে যায়!

ডাক্তার বলাবলি করে চোখের ছানি!

নতুন লেন্সে দেখি অপেক্ষায় মৌনতা-

পুরনো চৌকাঠ, খসে পড়া পলেস্তারা।

দু’চোখের মাঝে এক-নাকের দেয়াল-

খেলে গেছে বিকর্ষিত চৌম্বক সময়।

বৃক্ষের ছায়ায় মেতে কখন যে সূর্য ডোবে!

তলোয়ারে জং ধরলে; সে-ও তো বনে যায় বাতিল লোহা।

.

দাস প্রথা

কমলা রং পোশাক পরে বিমানে উড়াল দিল যে মানুষগুলো;

তাদের বুকে পিঠে বহুজাতিক সিল।

গরিব বলে নয়; কৌশলী রেওয়াজটাই এমন-

জোকারের পোশাকে থাকে হাজার জোড়াতালি!

খেলা-দেখানো বানরের গলায় প্রশিক্ষকের শেকল!

আর কথা বলা সব পাখিদের আকাশটাই লোহার।

সোনার বোতাম লাগানো পাঞ্জাবি দেখেই চেনা যায়; এ -‘লাহিড়ী সার্কাসের’ মালিক!

তবুও খাঁচার ডাহুক বোঝে নাশিকারীর ফাঁদ;

অজান্তেই ডেকে আনে আরেক ডাহুক!

.

বিবর্তিত নগ্নতা

নিজের চোখেই দেখি-

জানালার পর্দা সরিয়ে ঢুকে পড়ে বেগানা- অন্ধকার!

মিশে যায় অন্য একটা অন্ধকারে।

নিজের চোখেই দেখি-

কোনো-কোনো দরজাও মাঝরাতে তস্করের পরকীয়ায় গর্ভবতী হয়।

অথচ; প্রেমিকের সংজ্ঞা আলাদা!

নিজের চোখেই দেখি-

শিথানে রাখি ভাষার অভিধান,

পৃথিবীর ভাঁজে-ভাঁজে টের পাই, শব্দের অশ্লীল পারমাণবিক প্রয়োগ।

হায়কাচ!

সিলভারিং প্রলেপে আয়না হলেই-

কতটা বদলে যাও তুমি!

নির্বাচিত সংবাদ