২৫ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শেরপুরে সাংবাদিক ফাগুন হত্যার বিচার দাবি

নিজস্ব সংবাদদাতা, শেরপুর, ২৫ মে ॥ তরুণ সাংবাদিক ইহসান ইবনে রেজা ফাগুন (২১) হত্যার প্রতিবাদে শেরপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহরের থানামোড় এলাকায় প্রায় ২ ঘণ্টাব্যাপী ওই মানববন্ধনে জেলা সদরসহ উপজেলা সদর থেকে আগত প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা তরুণ সাংবাদিক ফাগুন হত্যায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে তার হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারসহ দ্রুতবিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান। অন্যথায় সাংবাদিকদের তরফ থেকে বৃহত্তর ও কঠিন আন্দোলন কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে এবং সেই কর্মসূচীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নানা শ্রেণীপেশার মানুষও যুক্ত থাকবেন। এছাড়া প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি বরাবর স্মারকলিপি পেশসহ উপজেলা পর্যায়ে মানববন্ধনের লক্ষ্যে সাত দিনব্যাপী কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়।

মানববন্ধনে যুক্ত হয়ে নিহত ফাগুনের বাবা সিনিয়র সাংবাদিক কাকন রেজা বলেন, আমি পিতা হিসেবে সন্তানের বিচার দাবিতে মানববন্ধনে আসিনি। একজন সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদ ও তার বিচার দাবিতে কথা বলছি। ফাগুন হত্যার বিচারের মধ্য দিয়ে আর যেন কোন গণমাধ্যম কর্মী এমন নির্মম হত্যার শিকার না হয়, সন্তানরা যেন নির্বিঘ্নে তাদের মা-বাবার কোলে ফিরতে পারে সে দাবিই জানাচ্ছি। শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে ওই মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ফাগুনের বাবা, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটন ও রফিকুল ইসলাম আধার, সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিন প্রমুখ। উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকার অনলাইন নিউজপোর্টাল প্রিয় ডটকমের সাব এডিটর, তেজগাঁও কলেজের ট্যুরিজম এ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র সাংবাদিক কাকন রেজার জ্যেষ্ঠ পুত্র ইহসান ইবনে রেজা ফাগুন ২১ মে মঙ্গলবার রাতে শেরপুরের উদ্দেশে ঢাকা থেকে ট্রেনে করে ল্যাপটপসহ জামালপুরে ফিরছিলেন। কিন্তু রাত থেকেই তার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না পরিবারের লোকজন। বুধবার সকালে জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা রানাগাছা মধ্যপাড়া রেললাইনের কাছ থেকে তার লাশ উদ্ধার হয়। তার মাথায় ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।