২৭ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চট্টগ্রামে ট্রেনের টিকেট নিয়ে দ্বন্দ্বে যাত্রীরা

মাকসুদ আহমদ, চট্টগ্রাম অফিস ॥ মোবাইল এ্যাপসে ট্রেনের ৫০ ভাগ টিকেট বিক্রির নির্দেশনা দিয়ে রেলের বাণিজ্যিক বিভাগ চুপচাপ বসে আছে। দ্বন্দ্বে আছে যাত্রীরা। এ্যাপসে মিলছে না টিকেট। কাউন্টারেও স্বল্প সংখ্যক টিকেট। ফলে ট্রেনের টিকেট ক্রেতা বা যাত্রীদের মাঝে বিড়ম্বনা সৃষ্টি হয়েছে। এ্যাপসে দফায় দফায় টিকেট বুকিং দিতে গিয়ে মোবাইলের ব্যালেন্স কেটে নিলেও টিকেট মিলছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা বললেন মোবাইল এ্যাপসে যেসব টিকেট থেকে যাবে সেগুলো ৫ দিনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি কার্যক্রম শেষ হলে কাউন্টার থেকে বিক্রি হবে। এদিকে অভিযোগ উঠেছে, প্রতিটি ট্রেনে হাতে গোনা ৫০/৬০ জন টিকেট কেনার পর আসন শূন্য বলে ডিসপ্লেতে দেখানো হচ্ছে। কারণ মোবাইলে ৫০ ভাগ টিকেট বরাদ্দের যে রেল সেবা এ্যাপস চালু করা হয়েছে তাতে আসন প্রত্যাশীরা টিকেট পাচ্ছে না। অপরদিকে, বাকি ৫০ ভাগ টিকেটের মধ্যে ভিআইপি কোটায় ১০ ভাগ ও প্রতিবন্ধী কোটায় ৫ ভাগ টিকেট সংরক্ষিত থেকে যাচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৫ ভাগ টিকেট স্টেশনগুলোর কাউন্টার থেকে বিক্রি হচ্ছে। যা টিকেট প্রত্যাশীর ১০ ভাগের এক ভাগও নয়। এছাড়াও স্টেশনের প্রথম ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কাউন্টারের চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে ইফতারির পসরা নিয়ে বসেছে এক দোকানি। এই দোকান থেকে জিআরপি, আরএনবি ও স্টেশনে কর্মরত উর্ধতন কর্মকর্তারা টু-পাইস কামাই করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার থেকে চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে দৃশ্যপট পরিবর্তন হয়েছে। দেখা গেছে, আন্তঃনগর ট্রেনের আসন অনুযায়ী ৩৫ ভাগ বিক্রয়যোগ্য টিকেটের পরিসংখ্যান দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনে প্রায় ৮২৩টি টিকেটের বিপরীতে মাত্র ২৮৮টি টিকেট বিক্রির সিদ্ধান্ত রয়েছে কাউন্টারের সামনে সাঁটানো ব্যানারে। বাকি থাকল আর ৬৫ ভাগ টিকেট। ৫০ ভাগ টিকেট মোবাইল এ্যাপসে আর ১০ ভাগ ভিআইপি এবং ৫ ভাগ প্রতিবন্ধীসহ মোট ৬৫ ভাগ টিকেট সাধারণের নাগালের বাহিরে এমন অভিযোগ যাত্রীদের।

ঢাকাগামী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনে ৪১৬টি টিকেট, সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনে ৪০৭টি টিকেট, তুর্ণা নিশীথা এক্সপ্রেসে ৩০৫টি, ময়মনসিংহ গামী বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনে ৪৯৩টি টিকেট সিলেটগামী উদয়ন এক্সপ্রেসে ২৭৮টি টিকেট, ঢাকাগামী মহানগর গৌধূলী ট্রেনে ৩৪৩ টি টিকেট, চট্টলা এক্সপ্রেসে ২৫৬টি টিকেট, চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনে ৪৬৪টি টিকেট ও সিলেটগামী পাহাড়ীকা এক্সপ্রেসে ৩৭৪টি টিকেট বিক্রির সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে কাউন্টার থেকে।