২৭ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কর্ণফুলী ড্রেজিংয়ে ধীরগতি সংস্কার সম্পন্ন হয়নি খাল, এবারও জলাবদ্ধতা

  • চট্টগ্রাম মহানগর

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ কর্ণফুলী নদীর ড্রেজিং কাজে ধীরগতি, চিহ্নিত খালগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন না হওয়ার জের হিসেবে এবারের বর্ষা মৌসুমেও চট্টগ্রাম মহানগরী জলাবদ্ধতার কবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না। ফলে বর্ষার পদধ্বনি যতই শোনা যাচ্ছে ততই শহরবাসীর মনে আতঙ্ক বাড়ছে।

গত শুক্রবার রাত এবং শনিবার থেমে থেমে সামান্য বৃষ্টিতেই শহর এলাকার বিভিন্ন স্পট হাঁটু পানির নিচে তলিয়ে যায়। তবে তা দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয়নি। বিশেষ করে নগরীর ষোলশহর দুই নম্বর গেট এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টির বিষয়টি ছিল লক্ষণীয়। ভোগান্তিও ছিল বেশি। দীর্ঘদিন কর্ণফুলী নদীর ড্রেজিং কাজ থমকে ছিল। এখন চলছে।

তবে তা দ্রুতগতিতে নয়। এছাড়া চউকের উদ্যোগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ১১টি খালের সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। তবে এসব কাজ এবারের বর্ষা মৌসুমের আগে সম্পন্ন হওয়ার কোন ধরনের সম্ভাবনা নেই। ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ভারি বর্ষণে ইতোপূর্বেকার ন্যায় এবারও নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার চরম ভোগান্তির শিকার হতে হবে। ইতোমধ্যে জলাবদ্ধতার বিষয় নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে। আগে যেহেতু নগরীর খাল ও নালা নর্দমা সংস্কার কাজ চসিকের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। কিন্তু এবার খাল সংস্কারের কাজ চউকের হাতে অর্পণ করেছে সরকার। এক্ষেত্রে চসিক কর্তৃপক্ষ একদিকে যেমন নাখোশ, তেমনি চউক কর্তৃপক্ষ এ কাজ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সম্পন্ন করার দায়িত্ব অর্পণ করেছে, যা নিয়ে সেনা কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারপূর্ব বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খালের সংস্কারেও হাত দিয়েছে। তবে নগরজুড়ে যে ৪১টি খাল রয়েছে তন্মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খালের সংস্কার সম্পন্ন অর্থাৎ ভরাট হয়ে যাওয়া খালগুলো থেকে মাটি অপসারণ করা সম্ভব হলেই নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াটি সুচারু যে হবে এতে কোন সন্দেহ নেই।

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া