১৮ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্বস্তির হাসি ॥ ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শেষ

স্বস্তির হাসি ॥ ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শেষ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ অনলাইনে টিকেট না পাওয়া, কাউন্টারে ধীরগতি, এসি ও কেবিনের টিকেট সংকটসহ নানা ভোগান্তি আর অভিযোগের মধ্য দিয়ে শেষ হলো রেলওয়ের পাঁচ দিনব্যাপী অগ্রিম টিকেট বিক্রি। রবিবার বিকেল চারটায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের সমাপ্তি হয়েছে। তবে বেলা ২টার পর কমলাপুরসহ ঢাকার পাঁচ স্থানের কোথাও টিকেটের জন্য লাইন দেখা যায়নি। শেষ দিনে তুলনামূলক কিছুটা ভিড় কম হলেও অনেকেই সোনার হরিণ টিকেটের আশায় ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় আগে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রতিদিনের মতো রবিবারও সাধারণ মানুষ এ্যাপে টিকেট না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। যদিও শেষ দিন পর্যন্ত অনলাইনে থাকা ৫০ ভাগ টিকেটের মধ্যে কতভাগ বিক্রি হয়েছে এ পরিসংখ্যান মিলেনি।

যাত্রীসেবার মান বাড়ানো ও ভোগান্তি কমাতে এবার ঈদ-উল-ফিতর সামনে রেখে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ট্রেনের মোট টিকেটের ৫০ শতাংশ ই-টিকেটিংয়ের জন্য বরাদ্দ রেখেছিল। বাকি ৫০ ভাগ কাউন্টার থেকে দেয়া হয়। এর মধ্যে পাঁচ ভাগ ভিআইপি ও বাকি পাঁচ ভাগ রেলওয়ের কর্মকর্তা আর কর্মচারীদের জন্য রাখা হয়। বাস্তবতা হলো নানা আয়োজন থাকলেও বিড়ম্বনা পিছু না ছাড়ায় শেষ পর্যন্ত স্বস্তিতে এবারও টিকেট কাটা হয়নি কারও। শুরু থেকে শেষ অবধি ছিল ভোগান্তি আর ভোগান্তি। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ করে যারা কাউন্টার থেকে টিকেট হাতে পেয়েছেন তারা সত্যিই ভাগ্যবান বলতে হবে। অনেকেই আবার নিতান্তই অভাগা। কাক্সিক্ষত টিকেট না পেয়ে শূন্য হাতে বাড়ি ফিরেছেন।

সকালে কমলাপুর স্টেশনে কথা হয় কলেজ শিক্ষার্থী আলমের সঙ্গে। রাজশাহী যাওয়ার সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট মোবাইল এ্যাপে কিনতে ব্যর্থ হয়ে কমলাপুর এসেছেন। তিনি বলেন, অনেক চেষ্টা করেও মোবাইল এ্যাপে ঢুকতেই পারেননি তিনি। জানান, সকাল থেকে অনলাইনে এবং এ্যাপে চেষ্টা করেছি। রেলওয়ের ওয়েবসাইটে তাও ঢোকা যায় কিন্তু এ্যাপে ঢুকতেই পারি না। এ্যাপ ডাউনলোড করেও আবার ডিলিট করে দিয়েছি। পরে লাইনে এসে দাঁড়িয়েছি।

একই অভিযোগ করলেন সবুজবাগের বাসিন্দা হিরন। তিনি জানান, প্রতিদিনই চেষ্টা করেছি এ্যাপ থেকে টিকেট সংগ্রহ করার। ভেবেছিলাম এ্যাপ সেবা নিয়ে লাইনের ভোগান্তি এড়ানো যাবে। শনিবার বিকেলে লাইনে দাঁড়িয়ে রাতভর এ্যাপে টিকেট কাটার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। রবিবার দুপুরে টিকেট পেলাম। এখন খুব ভাল লাগছে।

একই অভিযোগ করলেন মুগদার বাসিন্দা সোহেল মাহবুব। খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, অগ্রিম টিকেট বিক্রির প্রথম দুই দিন তিনি মোবাইলের এ্যাপে টিকেট কেনার চেষ্টা করে বিফল হয়েছেন। তিনি বলেন, আমার বাসায় তো ব্রডব্যান্ড নেই। পাড়ার একটা কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে অনলাইনে টিকেট কেনার চেষ্টা করেছি। একইভাবে মোবাইলে এ্যাপ ডাউনলোড করেও টিকেট কেনার চেষ্টা করেছি। কিন্তু পারিনি। এখন এখান থেকে টিকেট পাই কি না দেখি।

মহিলা কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সীমান্তি জানান, ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে এসি টিকেট পাইনি। কাউন্টার থেকে জানানো হয়েছে এসি টিকেট নেই। একই অভিযোগ করলেন তার সঙ্গে আসা নিরুপমা। তিনি জানান, এসি চেয়ার চেয়ে পেয়েছি শোভন চেয়ার। কিছু করার নেই। যা পেয়েছি তাতেই সন্তুষ্ট থাকা ছাড়া বিকল্প কিছু নেই।

রেলওয়ের অনলাইন টিকেট সেবা দিচ্ছে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সিএনএসবিডি। ঢাকার স্টেশন থেকে অনলাইনে বরাদ্দ আছে ১০ হাজার ৫৬১টি টিকেট। এর মধ্যে দুপুর একটার ২০ মিনিট পর্যন্ত ছয় হাজার ৫৭৩টি টিকেট বিক্রি হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছে সিএন। তবে কমলাপুর স্টেশনের মনিটরে প্রদর্শিত সিএনএসবিডির এ তথ্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীদের সবাই। তারা বলছেন, যেখানে এ্যাপ ওপেন হচ্ছে না সেখানে অর্ধেকের বেশি টিকেট কিভাবে বিক্রি হলো। কারা টিকেট ক্রয় করেছে এসব তথ্য রেল মন্ত্রণালয় যেন যাচাই-বাছাই করে জনসমক্ষে প্রকাশ করে এমন দাবিও জানান তারা প্রত্যেকেই।

সাধারণ যাত্রীরা বলেন, ‘সিএনএস দেখাচ্ছে কয়েক হাজার টিকেট বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এই টিকেট পেল কারা? সকাল থেকে ৩৫-৪০ বার এ্যাপে টিকেট কেনার চেষ্টা করেছেন অনেকে, পারেননি। এ্যাপে যদি এত টিকেট বিক্রি হতো তাহলে আমরা সবাই এখানে কেন?’

এ বিষয়ে সিএনসিস্টেম এনালিস্ট ফারহান ইশতিয়াক টেলিফোনে বলেন, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছাড়া আর কারও বক্তব্য দেয়ার অনুমতি নেই। তিনি এই মুহূর্তে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন।

ঈদের পর ই-টিকেটিংয়ের অব্যস্থাপনার অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘তারা (সিএনএসবিডি) আমাদের বলছে একসঙ্গে প্রায় চার লাখ লোক অনলাইনে টিকেট কিনতে চায়। এ কারণে সবাইকে টিকেট দেয়া সম্ভব হয়নি। ঈদের পর আমরা বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখব। তাদের যুক্তি সঠিক প্রমাণ না হলে আমরা অন্য চিন্তা করব।’

রেল কর্মকর্তারা জানান, অন্যান্য বছরের মতো এবার টিকেটের জন্য কারও ‘ডিও’ না নেয়ায় কোন টিকেট ‘ব্লক’ করে রাখার প্রয়োজন পড়ছে না। এ কারণে কাউন্টার থেকে টিকেট পাচ্ছেন টিকেট প্রত্যাশীরা। যাত্রীরা মনে করছেন, টিকেট বিক্রির প্রথম দিন দুদকের কর্মকর্তারা কমলাপুর স্টেশনে হানা দেয়ায় চিত্র কিছুটা পাল্টে গেছে। এবার নিয়মের বাইরে কাউকে টিকেট দেয়া হচ্ছে না জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রী-এমপিরা পদমর্যাদা অনুযায়ী টিকেট পাবেন। কিন্তু তাদের পরিচয়ে তাদের আত্মীয় স্বজন, কর্মচারীরা এসে টিকেট নিয়ে গেলে তো ইকুইটি থাকল না। এজন্য মন্ত্রী এমপিরা তাদের পরিবার নিয়ে ট্রেন যাত্রা করতে চাইলে আমরা ব্যবস্থা করব। তাদের জন্য আলাদা কোচ থাকবে। কিন্তু যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ করা টিকেটে হাত দিব না।

কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার আমিনুল হক বলেন, ঈদের সময় সবাই এসি টিকেট চান, কিন্তু আমাদের এসি সিট তো সীমিত। তাই সবাইকে দেয়া সম্ভব হয় না। প্রতিটি লাইনে মানুষ সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে টিকেট সংগ্রহ করছেন। এছাড়া ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রিতে যেন কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ রেলওয়ের নিজস্ব বাহিনী তৎপর রয়েছে।

তেজগাঁওয়ে দুর্ভোগ ॥ রেলের আগাম টিকেট বিক্রির শেষ দিনেও দুর্ভোগে নাকাল হতে হয়েছে রাজধানীর তেজগাঁও রেলস্টেশনে আসা টিকেট প্রত্যাশীদের। রেলের সার্ভারে বিপত্তি, স্বজনপ্রীতি ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ফলে টিকেট পেতে যাত্রীদের দিনে রাতে ১৮ থেকে ২১ ঘণ্টা অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়েছে।

এ বছর প্রথমবারের মতো কমলাপুর ছাড়াও তেজগাঁও, বনানী, বিমানবন্দর ও ফুলবাড়িয়া নগর কাউন্টার থেকে রেলের আগাম টিকেট বিক্রি হয়। গত ২২ মে ২৯ মের আগাম টিকেট বিক্রির মাধ্যমে শুরু হয়েছিল কার্যক্রম। শেষ দিনে দেয়া হয়েছে ৪ জুনের আগাম টিকেট।

সকালে তেজগাঁও স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, মূল প্ল্যাটফর্ম ছাড়াও বাইরের রাস্তায় কয়েক সারি টিকেট প্রত্যাশী একাধিক লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, যারা আগের দিন বিকেল ৩টা থেকে অপেক্ষমাণ। দুটি কাউন্টারে পুরুষ যাত্রীদের জন্য এবং একটি কাউন্টারে নারী ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের টিকেট বিক্রি হচ্ছে।

কাউন্টারগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, সকাল ৯টায় বিক্রি শুরুর পর বেলা সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে মাত্র ৬০টি টিকেট। অবশ্য পুরুষ কাউন্টারে একজন কর্মী জানান, কিছুক্ষণ পর পর সার্ভার গতিহীন হয়ে পড়ছে। ফলে অনেক সময় ১০ মিনিটেও একটি টিকেট আসছে না। আর সার্ভার যখন ঠিক হচ্ছে তখন এক মিনিটেই একজন টিকেট প্রত্যাশীর হাতে টিকেট তুলে দেয়া যাচ্ছে।

এদিকে মহিলা কাউন্টারে সামনের অংশটি ঘিরে রেখেছেন স্থানীয় দালাল চক্র। তারা দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে যোগসাজশ করে টিকেট সংগ্রহ করে তা চড়া দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন বলে অপেক্ষমাণদের অভিযোগ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জিআরপি পুলিশের এক সদস্য বলেন, আমরা কয়েকজন মহিলাকে ধরেছি। তাদের যাচাই করতে গিয়েই কাউন্টারে বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। তখনই মহিলাদের কাউন্টারেই আনসার সদস্যদের যাত্রীদের অনুরোধ রক্ষা করে বিনিময়ে টাকা নিতে দেখা গেছে। জিআরপি পুলিশের তেজগাঁও অঞ্চলের ওসি রেজাউল বলেন, তিন কাউন্টার মিলে তাদের এক প্লাটুন কর্মী দায়িত্ব পালন করছে।

তেজগাঁও স্টেশন মাস্টার এম এ আজিজ বলেন, সার্ভারে গতি কমে যাওয়ার বিষয়টি কাউন্টার থেকে তাকে একবারও জানানো হয়নি। যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ সহ্য করে তারা সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

মানুষের নিরাপত্তায় ঈদের পরও মাঠে থাকবে র‌্যাব ॥ ঈদ-উল-ফিতরকে আনন্দময় ও নিরাপদ করতে র‌্যাবের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ঘরমুখো মানুষ যাতে কোন সমস্যায় না পড়ে সেজন্য ব্যবস্থা নিয়েছে র‌্যাব। এই ব্যবস্থা ঈদের পরও বলবৎ থাকবে। রবিবার কমলাপুর রেলস্টেশনে ঈদে রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ বিষয়ে র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল এমরানুল হাসান এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, ঈদে বিপুলসংখ্যক লোক কমলাপুর রেলস্টেশন হয়ে ঘরে ফেরে। এখানে প্রচুর ভিড় থাকে। এজন্য মানুষ যাতে কোন সমস্যায় না পড়েন এবং প্রতারিত না হয় সেজন্য র‌্যাব-৩-এর সদস্যরা তৎপর থাকবেন।

টিকেট কালোবাজারি এড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। ২৪ ঘণ্টা আমাদের কন্ট্রোল রুম খোলা রয়েছে। টিকেট কালোবাজারির তথ্য পেলে আমাদের জানালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। তাছাড়া কোন অনিয়ম হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে আমরা নজরদারি করছি।

তিনি বলেন, যেসব শপিংমলে বেশি লোক সমাগম হয় সেসব স্থানে র‌্যাব সদস্য মোতায়েন ছাড়াও গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে শুরু করে সব জায়গায় র‌্যাবের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নজরদারি রাখা হয়েছে। র‌্যাব-৩-এর আওতাধীন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন ও এলাকাভিত্তিক টহল ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া র‌্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রয়েছে। র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, আসা-যাওয়ার মধ্যে যেন কোন ধরনের নিরাপত্তা বিঘিœত হতে না পারে এবং কোন প্রকার দুর্ঘটনা ঘটতে না পারে, সেজন্য র‌্যাব-৩ সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিয়েছে।

২৯ মে থেকে ফিরতি টিকেট ॥ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৯ মে ৭ জুনের, ৩০ মে ৮ জুনের, ৩১ মে ৯ জুনের, ১ জুন ১০ জুনের ও ২ জুন ১১ জুনের ফিরতি টিকেট বিক্রি হবে। একই সঙ্গে স্পেশাল ট্রেনের টিকেট দেয়া হয়েছে। তবে, স্পেশাল ট্রেনের টিকেট অনলাইন বা মোবাইল এ্যাপে পাওয়া যাবে না। শুধু কাউন্টার থেকেই নিতে হচ্ছে স্পেশাল টিকেট। কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ১২ টি ট্রেনের প্রায় ১৬ হাজারের কিছু বেশি টিকেট বিক্রি হয়। ২৬ হাজার ৭শ’ টিকেটের মধ্যে বাকিটা অনলাইনের জন্য বরাদ্দ। প্রথম দিন মোট টিকেটের ৭০ ভাগ বিক্রির কথা সিএনএস কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। তবে রেলমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ২৬ জুন রবিবার অগ্রিম টিকেট বিক্রি শেষ হলে ২৭ জুন এ্যাপের অবিক্রিত টিকেট কাউন্টার থেকে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে।

নির্বাচিত সংবাদ