১৭ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লড়াই করে হারল টাইগাররা

লড়াই করে হারল টাইগাররা

অনলাইন ডেস্ক ॥ তবুও আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সে আশা শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়নি। কারণ ম্যাচে খুব বড় পুঁজি গড়ে দিতে পারেনি ব্যাটসম্যানরা। তারপরও শেষ পর্যন্ত লড়াই করে হেরে গেল বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের দেয়া ২৪৪ রানের জবাবে ব্যাট নামে। তবে এদিন ভালো ভাবেই শুরু করে কিউইরা। ম্যাচের একটা সময় পুরো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় নিউজিল্যান্ড। টাইগার বোলার মিরাজ, সাইফদ্দিন এবং সৈকত বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান। এক সময় অল্প পুঁজি নিয়ে লড়ে যায় মাশরাফিরা।

অন্যদিকে, ২ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কিউইরা। ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭ বল হাতে রেখে ২৪৮রান করে নিউজিল্যান্ড।

শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলতে থাকে টেইলর। তবে শতকের আক্ষেপ নিয়ে ফিরেন এই কিউই ব্যাটসম্যান। আউট হওয়ার আগে ৯১ বলে ৯ চারে ৮১ রান করেন টেইলর।

এর আগে সাকিবের জোড়া আঘাতের পরই কেন উইলিয়ামসনের রান আউটের সুযোগ নষ্ট করেন মুশফিকুর রহীম। মুশফিকের হাতে জীবন পেয়েছেন লস টেইলরও। নতুন জীবন পেয়ে এই দুই ব্যাটসম্যান তৃতীয় উইকেটে দারুণ এক জুটি গড়ে জয়ের ভীত গড়েন। এরপর কিউই শিবিরে মেহিদীর জোড়া আঘাত।

প্রথমে উইলিয়ামসন এরপর ল্যাথাম সাঝঘরে ফিরেন। আউট হওয়ার আগে উইলিয়ামসন ৪০ এবং ন্যাথাম কোন রান না করেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন।

বাংলাদেশের ছুড়ে দেয়া ২৪৫ রানের জবাবে শুরুটা দারুণ করেছিল নিউজিল্যান্ড। মোস্তাফিজ, মিরাজ, মাশরাফির করা প্রথম পাঁচ ওভারে ৩৫ রান সংগ্রহ করে কিউইরা।

ব্যাট হাতে ৬৪ রানের পর ম্যাচের ষষ্ঠ ওভারে আক্রমনের দায়িত্বে এসেই মার্টিন গাপটিলকে তামিমের ক্যাচে পরিণত করেন সাকিব। মাত্র ১৪ বলে ২৫ রান করেন এই ওপেনার। নিউজিল্যান্ডের ইংনিসে দ্বিতীয় আঘাতটিও হানেন বিশ্ব সেরা এই অলরাউন্ডার। ভয়ঙ্কও হয়ে উঠার আগেই মুনরোকে ফেরান এই স্পিনার। এই পরেই মুশফিকুর রহীমে ভুলে নিশ্চিত রান আউটের হাত থেকে বেচে যান কিউই অধিনায়ক উইলিয়ামসন।

এর আগে মার্ক হেনরি ট্রেন্ট বোল্ডের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে থাকা ধুকতে থাকা বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত অলআউট হয়েছে ২৪৪ রানে। হেনরি চারটি বোল্ড দুই উইকেট দখল করেন।

শেষ দিকে কেবল সাইফুদ্দিন চেষ্ঠা করেছেন। যোগ্য সহায়তার অভাবে আড়াইশ রানও করতে পারেনি টাইগাররা। দলের পক্ষে সাকিব সর্বোচ্চ ৬৪ ও সাইফুদ্দিন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন। এছাড়া তামিম ২৪, সৌম্য ২৫, মুশফিক ১৯ও মিঠুন ২৬ রান করেন।