১৭ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

খালেদার আদালত স্থানান্তরের বৈধতা নিয়ে শুনানি হয়নি নথির জন্য

খালেদার আদালত স্থানান্তরের বৈধতা নিয়ে শুনানি হয়নি নথির জন্য

অনলাইন রিপোর্টার ॥ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারের আদালত পুরান ঢাকা থেকে সরিয়ে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনের শুনানি হয়নি সোমবার।

আবেদনের সঙ্গে সম্পূরক নথি হলফনামা আকারে দাখিলের জন্য আসামি পক্ষ চাইলে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার দিন রাখেন।

এসময় আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও মওদুদ আহমদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।

গত ২৮ মে শুনানিতে বিএনপি চেয়ারপারনের আইনজীবীদের কাছে আদালত কিছু বিষয়ে প্রশ্ন রেখেছিল। সেসব প্রশ্নের আইনি জবাব দিতে সময় চাওয়ায় আদালত সোমবার শুনানির জন্য রাখে। কিন্তু এদিন খালেদার আইনজীবী কিছু সম্পূরক নথি হলফনামা আকারে দাখিল করার জন্য শুনানি ‘নট টুডে’ রাখার মৌখিক আবেদন করেন।

এ জে মোহাম্মদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, নাইকো এবং আরও অন্যান্য মামলার বিশেষ আদালতকে স্থানান্তর করা হয়েছে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে। যেটা আইনসিদ্ধ হয় নাই। এটা বেআইনি এবং সংবিধান পরিপন্থি।

তিনি বলেন, “আগেও সে রিটের শুনানি হয়েছে, আজও শুনানির জন্য ছিল। এর মধ্যে কিছু কাগজপত্র দাখিল করতে চেয়েছিলাম। সে কাগজপত্রগুলো দাখিল করতে হলে আগে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। আদালত সে অনুমতি দিয়েছেন। এখন সেগুলো অ্যাফিডেভিট করে দাখিল করতে হবে।

“যেহেতু অ্যাফিডেভিট করতে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় লেগে যাবে, সেহেতু আমরা বলেছি শুনানিটা আজ না করে আগামীকাল করলে ভাল হয়। আদালতও সম্মত হয়েছেন। ফলে আগামীকাল শুনানি হচ্ছে।’

নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিচারের জন্য বিশেষ আদালত পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কারাগার থেকে সরিয়ে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার সরকারি আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়।

আদালত স্থানান্তরে জারি করা সরকারের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবীরা গত ২৬ মে হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি করেন।

বর্তমানে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন সুস্থ হলে তাকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার সিদ্ধান্তও ইতোমধ্যে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

দুর্নীতির মামলায় এক বছর আগে দণ্ডের পর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কের পরিত্যক্ত কারাগারে খালেদাকে রেখে তার বিরুদ্ধে অন্য কয়েকটি মামলার বিচারও সেখানেই চলছিল।