১৮ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সংস্কার না করলে ব্যাংকিং খাত বিপর্যয়ে পড়বে : মেনন

সংস্কার না করলে ব্যাংকিং খাত  বিপর্যয়ে  পড়বে :  মেনন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মৌলিক গবেষণার ক্ষেত্রে শিক্ষা বৃত্তির জন্য সরকারে প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। বুধবার মার্কেন্টাইল ব্যাংক আব্দুল জলিল শিক্ষা বৃত্তি ২০১৮ এর অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান। উল্লেখ্য মার্কেন্টাইল ব্যাংকের তরফ থেকে ২০১১ সালে প্রচলিত এই শিক্ষা বৃত্তির পরিমান এখন ১ কোটি টাকা ও প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ১ হাজার ২০০ জনের বেশি।

মার্কেন্টইল ব্যাংকের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সাবেক মন্ত্রী মেনন বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নকে তরন্বিত ও টেকসই করতে পারে।

ব্যাংকখাতে সম্পর্কে বলতে গিয়ে মেনন বলেন, এটাই এখন আমাদের অর্থনীতির প্রধান দুর্বলতা। এখাতে সংস্কার করা না গেলে কেবল ব্যাংকিং ব্যবস্থা নয়, সমগ্র আর্থিক খাত বিপর্যয়ের মুখে পরবে। তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন তারা ঋণ খেলাপীর ব্যপারে ব্যবস্থা গ্রহণের পর আর এক টাকাও ঋণ খেলাপী হবে না। সেখানে ইতিমধ্যেই গত এক মাসে ঋণ খেলাপীর পরিমান ১৭ হাজার কোটি টাকা বেড়ে এখন ১ লক্ষ কোটি টাকার উপর চলে গেছে, যা প্রস্তাবিত বাজেটের প্রায় এক পঞ্চমাংশ হবে।

তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীন ভূমিকার উপর জোর দিয়ে বলেন, রাজনীতির বিবেচনা ব্যাংকগুলোকে রক্ষার দায়িত্ব সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নয়, তাদের দায়িত্ব আমানত- কারিদের সুরক্ষার । তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে আরো সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার জন্য ব্যাংক গুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

মার্কেন্টাইল ব্যাংক ফাউন্ডেশনের সভাপতি জনাব আমানুল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন নিজাম উদ্দিন জলিল, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান শাহেদ রেজা, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালক আকরাম হোসেন হুমাউন ও এমডি কমরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি বিতরণ করেন রাশেদ খান মেনন।

দেরিতে হলেও অধিক পরিমান ধান কেনার সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ॥ দেরিতে হলেও আরো আড়াই লক্ষ মেট্রিকটন ধান কেনার জন্য খাদ্য মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে জাতীয় কৃষক সমিতি। বুধবার সমিতির সভাপতি নুরুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম গোলাপ এক বিবৃতিতে বলেন, ধানের নেয্য মূল্য না পাওয়ার বিরুদ্ধে সারাদেশব্যপি কৃষক ও কৃষক সংগঠনের প্রতিবাদে সরকার শেষ মুহূর্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এটাই যথেষ্ঠ নয়, এই সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়ন করতে হলে ৯৬’ সালের সরকারের মতো সারাদেশে খাদ্য কর্মকর্তাদের সাথে মেজিস্ট্রেট নামিয়ে এই ধান সংগ্রহ করতে হবে। এই জন্য মিল গেটেই কৃষকরা যাতে ধান দিতে পারে তারও ব্যবস্থা করতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার যেখানে কৃষি কার্ড এর মাধ্যমে কৃষি উপকরণ বিতরনের ব্যবস্থা করতে পারছে সেখানে এমপি ও দলীয় কর্মকর্তারা কৃষক তালিকা তৈরী করার যে অনিয়ম শুরু করেছে তাতে সরকারের এই উদ্যোগও যথাযথ ফল দিতে পারবে না। এই কারণে কৃষক কার্ডের মাধ্যমেই সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সারা দেশে ২০০ জায়গায় ১০ লক্ষ মেট্রিকটন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পেডি সাইলো নির্মাণের যে পরিকল্পনা নেয়ার কথা বলা হয়েছে সেটা একটি ভালো সংবাদ। তবে কেবল ২০০ জায়গায় নয়, প্রতি ইউনিয়নে এই সাইলো নির্মাণ করা যেতে পারে এবং কৃষি সমবায় সমিতির মাধ্যমেই এইগুলো পরিচালনা করতে হবে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আগামী ১৫ জুন শনিবার বেলা ১১টায় মহানগর নাট্যমঞ্চে কৃষক- খেতমজুর কনভেনশনকে সফল করার আহ্বান জানান। কনভেশনে বক্ততা করবেন ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি এবং কনভেনশনে গৃহীত ঘোষণার ভিত্তিতে সারাদেশে আন্দোলনের কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে।

নির্বাচিত সংবাদ