১৭ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পরিকল্পিত অগ্রযাত্রা

কৈলাশ প্রসাদ গুপ্ত ॥ বর্তমানে মানুষ লটারি খেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদির মাধ্যমে ঈদ পুনর্মিলনী, ঈদ উৎসব উদ্যাপন করছে। এ অনুষ্ঠানগুলোকে আরও সৃজনশীল ও সমৃদ্ধ করে পরিবারের সকলের উপস্থিতির মাধমে নির্মল আনন্দ দেওয়া যেতে পারে। এ কাজটি করতে পারে শিল্পকলা একাডেমি। শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে নাটক, যাত্রাপালা, কবিগান এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

কালীপূজা উপলক্ষে আমাদের ফুলবাড়ী কালীমন্দির প্রাঙ্গণে প্রায় এক মাস যাত্রাপালা, কবিগান, মেলা প্রভৃতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতো স্থানীয় শিল্পীদের দ্বারাই। শিল্পীরা ছিলেন অবৈতনিক। দর্শকরা বিনা পয়সায় এ অনুষ্ঠানগুলো উপভোগ করতেন। কিন্তু এখন সে রামও নেই, অযোধ্যাও নেই। শিল্পীরাও বেঁচে নেই। উত্তরসূরি গড়ে উঠেনি।

প্রত্যেক উপজেলায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে শিল্পকলা একাডেমি গড়ে তোলা, পাশাপাশি ঐ বিল্ডিংয়ে অডিটোরিয়াম কাম পাবলিক লাইব্রেরি, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স গড়ে তোলা প্রয়োজন। যেখান থেকে শিশু কিশোররা আনন্দ পেতে পারে, ইতিহাসও জানতে পারে। রাজধানী ঢাকা থেকে নিজ জেলা উপজেলার গ্রামে ছুটি কাটাতে এসে দেশ, জাতি, সমাজ ও নিজের গ্রামের নানা বিষয়ে আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে জানতে পারবে। চ্যানেল আই এর কৃষকের ঈদ আনন্দ উৎসবের ধরনে বিভিন্ন স্থানে শিশু কিশোরদের জন্য রকমারি মেলা করে আনন্দ দানের বিভিন্ন সৃজনশীল পদক্ষেপ নিতে পারে শিল্পকলা একাডেমি ও অন্যান্য সংগঠনগুলো।

অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের লেখা বিষয়ভিত্তিক কবিতা, গান পরিবেশনসহ রচনা প্রবন্ধ প্রকাশ করার ব্যবস্থা করে নির্মল আনন্দ দানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। এ কাজগুলো করতে হবে ঐ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সারাবছর ধরে। সারা বাংলাদেশের নদীগুলো খনন করে নাব্যতা ফিরিয়ে এনে নদীর দুইপাড়ে বিভিন্ন ফলমূলের বৃক্ষ রোপণ করতে পারলে মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি হবে। ফলবান বৃক্ষ থাকলে পাখির বাসা হবে। বিভিন্œ গাছ-গাছালি পক্ষিকুলের কলরবে মনোহর পরিবেশের সৃষ্টি হবে। বিভিন্ন উৎসবে জেলা শহরে ছুটে আসা মানুষ স্বস্তি ও শান্তির নিঃশ্বাস নিতে পারবেন। বিনোদনে মন মেজাজ ফুরফুরে থাকবে।

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর থেকে