১৭ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পুঁজিবাজার উন্নয়নে ১৪ দফা দাবি জানিয়েছে বিনিয়োগকারীরা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজার উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে ১৪ দফা দাবি পেশ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। বুধবার বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি একেএম মিজান-উর-রশিদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের কাছে জমা দেয়া হয়। বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০১০ সাল থেকে পুঁজিবাজারে যে মহাপতন শুরু“হয়েছিল তা ক্রমান্বয়ে সিরিজ পতনের মাধ্যমে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী হয়। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এই সময়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কিছু প্রশংসনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। তাই মাঝে মধ্যে বাজার সামান্য স্থিতিশীল হলেও সম্পূর্ণ স্থিতিশীল আচরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এমতাবস্থায় বাজার উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ নিম্নলিখিত ১৪ দফা দাবিসমূহ বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছে। এই দাবির মধ্যে রয়েছে ইস্যু মূল্যের নিচে অবস্থান করা শেয়ারগুলো নিজ নিজ কোম্পানি/কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে ইস্যু মূল্যে শেয়ার বাইব্যাক করতে হবে। প্লেসমেন্ট শেয়ারের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করা এবং প্লেসমেন্ট শেয়ারের লকইন পিরিয়ড ৫ বছর করা। শেয়ারবাজারের গতিশীলতা বৃদ্ধিতে আসন্ন বাজেটে পুঁজিবাজারে অর্থের যোগান বৃদ্ধির জন্য সহজশর্তে অর্থাৎ ৩ শতাংশ সুদে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেয়া।

অপ্রদর্শিত অর্থ বিনা শর্তে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া। একইসঙ্গে পাবলিক ইস্যু রুলস, ২০১৫ বাতিল করতে হবে এবং সকল ধরনের আইপিও ৩ বছরের জন্য বন্ধ রাখতে হবে। ভবিষ্যতে আইপিওতে কোন প্রকার প্রিমিয়াম দেয়া যাবে না। জেড ক্যাটাগরি এবং ওটিসি মার্কেট বলতে কোন মার্কেট থাকতে পারবে না। তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানিকে কমপক্ষে ১০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদান করতে হবে। রাইট শেয়ার এবং বোনাস শেয়ার দেয়া বন্ধ রাখতে হবে। এছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আইপিও কোটা ৮০ শতাংশ করতে হবে। একইসঙ্গে ২ সিসি আইনের বাস্তবায়ন করতে যে সকল কোম্পানির উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের ব্যক্তিগতভাবে ২ শতাংশ এবং সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার নেই, ঐ সকল উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।