১৮ জুন ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিল্পকলায় খেয়ালী নাট্য গোষ্ঠীর ‘রূপালী চাঁদ’

  • সংস্কৃতি সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মানুষের জীবনে গড়ে তোলা ভালবাসার শিল্প সৌন্দর্যটিই সম্ভবত মহত্তম। মানুষের জীবনে প্রেমের বাঁশি বেজে চলেছে চিরকাল। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে প্রেম কি? প্রেম কি দেহার্ত কোন বৃত্তি, নাকি দেহাতীত কোন বিমূর্ত আধার? দেহ পিঞ্জিরায় বন্দী যে হৃদয় সেই হৃদয়ের বন্দী সত্তার মুক্তি ঘটে রূপময় স্পর্শময় ইন্দ্রিয়ের অভিব্যক্তিতে। অসংখ্য শিহরণ ঘটে যেতে থাকে এই একই হৃদয়জুড়ে। প্রেমিক মানুষ বেঁচে থাকে মর্তের ধূসর রোদ্দুরে রুপালি উঠানে। আবার এ চৌহদ্দির প্রান্তিক রেখা অতিক্রম করে অমর্ত্য লোকের অন্তর্বর্তী আরেক অনন্ত ভুবনে যাত্রা করে। তুলে আনে অমৃত সুধা। বিশ্ব সংসারে চির জাগরিত এই প্রেমানুভূতি স্রষ্টার সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান। এসবের কাহিনীনির্ভর নতুন মঞ্চ নাটক ‘রূপালী চাঁদ’ নির্মাণ করেছে দর্শকপ্রিয় নাট্যদল খেয়ালী নাট্যগোষ্ঠী। দলের ১৬তম প্রযোজনা এ নাটকটি মঞ্চস্থ হয় শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে বুধবার সন্ধ্যায়।

নাটকটি রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন এ কে এ কবীর।

নাটকটিতে উঠে এসেছে গভীর প্রেমসমৃদ্ধ একটি প্রেম নিরীক্ষা। মানুষ প্রেমময় জীবনে পরম বেদনা এবং আনন্দ ধারায় অবগাহন করে বেঁচে থাকে মর্ত্যরে ধূসর জগতে। কেউবা অমর্ত্য লোকের অন্তর্বর্তী আরেক অনন্ত ভুবনে যাত্রা করে। ভালবাসার নিতল দীক্ষণ সরোবরে অবগাহন করে আকণ্ঠ পান করে বেদনার হলাহল। কেউ কেউ তুলে আনে অমৃতের সুধা। মূলত এ নাটকটি বিচিত্র প্রেমানুভূতির অমর্ত্য লোকের অভ্যন্তরস্থ ধ্যান-ধারণার একটি শৈল্পিক রূপ।

এর বিভিন্ন দিকে রূপদান করেছেন শাহীন আহম্মেদ, শুভ্র, আহসানুল হক খোকন, রানু আরা, রোজিনা আক্তার, সোনিয়া কবির, শিরীন আক্তার, মঞ্জুর মামুন লিটু, মুনির হোসেন নাদিম, ফরিদ আলী প্রমুখ।

নাটকে স্তালিনকে বিকৃত করায় প্রতিবাদ সমাবেশ ॥ রুশ সাম্যবাদী রাজনীতিবিদ যোশেফ স্তালিনকে নিয়ে নির্মিত মঞ্চ নাটক ‘স্তালিন’ নিয়ে চরম উত্তেজিত রাজধানীর নাট্যপাড়া! নাট্য নির্দেশক কামালউদ্দিন নীলুর পরিচালনায় ঢাকার মঞ্চে নাটকটি নিয়ে এসেছে সেন্টার ফর এশিয়ান থিয়েটার (সিএটি)। সোমবার নাটকটির প্রথম শো হওয়ার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এ নাটক।

যোশেফ স্তালিনকে বিকৃত করে নাটকটি তৈরি করায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার প্রধান ফটকে বুধবার বিকেলে এক প্রতিবাদ সমাবেশ করে বাম সংগঠনের নেতারা। এতে উপস্থিত ছিলেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী বজলুর রশীদ, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের ফয়জুল হাকিম লালা, বাসদ মার্কসবাদী কেন্দ্রীয় নেতা মানষ নন্দী, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্যপরিষদের নেতা রাজিকুজ্জামান রতন, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা হামিদুল হক, নয়া সমাজতান্ত্রিক গণ মোর্চার জাফর হোসেন, বির্তন সাংস্কৃতিক সংগঠনের মফিজুর রহমান লালটু, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শম্পা বসু, নারী মুক্তি ফোরামের সীমা দত্ত প্রমুখ।

সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় ‘স্তালিন’ নাটকের উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হয়। যেখানে স্তালিনকে দেখানো হয়েছে একজন গণনায়ক ও কতৃত্ববাদী শাসক হিসেবে। সেদিন থেকেই আলোচনায় উঠে আসে নাটকটি। চোখ ধাঁধানো সেট আর লাল রঙের আধিক্য বেশ প্রশংসিত হয় নাটকটি। তবে মঙ্গলবার দ্বিতীয় প্রদর্শনীতে বিতর্কের মুখে পড়ে নাটকটি। মঙ্গলবার রাতে নাটক শেষ হওয়ার অন্তত ১৫ মিনিট পর পর্যন্ত চিৎকার ও স্লোগান চলে মিলনায়তনে এবং নাট্যশালার করিডরে। একপর্যায়ে থিয়েটার অঙ্গনের জ্যেষ্ঠ কর্মীর হস্তক্ষেপে তা থামে।

নির্বাচিত সংবাদ