১৮ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

করমুক্ত আয়ের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা

 করমুক্ত আয়ের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই ছিল।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীর পক্ষে এই ঘোষণা পড়ে শোনান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, নারী ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সী করদাতাদের ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত কর দিতে হবে না। প্রতিবন্ধী করদাতাদের ক্ষেত্রে এই সীমা ৪ লাখ টাকা। এছাড়া গেজেটভুক্ত যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা চলতি বছরের মতো ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সাধারণ করদাতাদের ক্ষেত্রে আয়ের সীমা আড়াই লাখ টাকার পর প্রথম ৪ লাখ টাকার জন্য ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার জন্য ১৫ শতাংশ, এর পরের ৬ লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ, পরবর্তী ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ এবং অবশিষ্ট মোট আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ হারে কর দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি আগের মতোই আছে। বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, বাংলাদেশে বর্তমান করমুক্ত আয়সীমা মাথাপিছু আয়ের দেড় গুন বেশি। এ অবস্থায় করমুক্ত আয়সীমা বাড়ালে বিদ্যমান করদাতাদের অনেকেই করের আওতার বাইরে চলে যেতে পারেন। এতে করভিত্তি সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এছাড়া বাজেট প্রস্তাবনায়, ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনসহ অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কোম্পানি করদাতা ব্যতিত অন্য করদাতাদের ন্যূনতম কর যথাক্রমে আগের মতো ৫ হাজার, ৪ হাজার এবং ৩ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া সার্বিক বিবেচনায় করপোরেট করহারের বিদ্যমান কাঠামোটি বহাল রাখার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।