১৬ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তামাকজাত পণ্যের ওপর শতভাগ কর বাড়ানোর দাবিতে মোটরসাইকেল র‌্যালি

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেটসহ সব তামাকজাত পণ্যের ওপর শতভাগ কর বাড়ানোর দাবিতে মোটরসাইকেল র‌্যালি করেছে মাদকবিরোধী সংগঠন প্রত্যাশা।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে প্রত্যাশা ও ঢাকা আহছানিয়া মিশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের কর্মীরা অংশ নেন। র‌্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ। প্রত্যাশার সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র কর্পোরেশনের (এফডিসি) ছটকু আহমেদ, সিটিএফকের শরীফুল ইসলাম ও মাদকবিরোধী ফেডারেশনের আশরাফুল আলম কাজল প্রমুখ।

তামাকের ওপর জটিল বিভিন্ন স্তরের পরিবর্তে নির্দিষ্ট ট্যাক্স সিস্টেম চালু করার জোর দাবি জানিয়ে ড. নাসির উদ্দিন বলেন, প্রস্তাবিত ২০১৯-২০২০ বাজেটে তামাকজাত পণ্যের ওপর যে পরিমাণ কর বৃদ্ধি করা হয়েছে তা শুভঙ্করের ফাঁকি। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে তামাকের ভয়াবহতা থেকে মুক্ত করতে তামাকের ওপর কর প্রথা সহজ করাসহ সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্যের উচ্চ হারে কর আরোপ করতে হবে।

‘প্রত্যাশা’র সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে একটি শক্তিশালী তামাকশুল্ক-নীতি গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করলেও উক্ত নির্দেশনার কোন প্রতিফলন প্রস্তাবিত বাজেটে নেই, যা সার্বিকভাবে তামাক বিরোধীদের জন্য চরম হতাশাজনক। তামাক কোম্পানির চাপে সরকার নামেমাত্র বিড়ি-সিগারেটের ওপর কর বৃদ্ধি করেছে, যাতে প্রকৃতভাবে তামাক কোম্পানি লাভবান হবে।

মাথাপিছু আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তামাক পণ্যের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, এখন মাথাপিছু আয় ১২ শতাংশ হলেও তামাক পণ্যের দাম বাড়ানো হয়েছে মাত্র ৫ শতাংশ। মাথাপিছু আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দাম বাড়ালে তামাক পণ্য খাওয়ার প্রবণতা কমে আসবে। তাই সরকারের কাছে দাবি, বাজেটে তামাক পণ্যের দাম বাড়ানো হউক।