২৩ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

খাশোগি হত্যাকান্ড রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে ব্যবহার করবেন না

  • তুরস্ককে সৌদি যুবরাজের হুঁশিয়ারি

রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকান্ডকে ব্যবহারের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এর মাধ্যমে তিনি তুরস্ককে প্রচ্ছন্ন আক্রমণ করলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরে ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে খাশোগির নির্মম হত্যাকান্ডের পর থেকে সৌদির সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছে। এই হত্যাকান্ড সৌদি যুবরাজের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে ব্যাপকভাবে কলঙ্কিত করেছে। এএফপি।

জামাল খাশোগির হত্যার বিষয়টি তুরস্কের কর্মকর্তারাই প্রথমে সামনে আনেন এবং তারা খাশোগির ছিন্নভিন্ন দেহ কোথায় রাখা হয়েছে সে বিষয়ে তথ্য দিতে সৌদিকে চাপ দেয়া অব্যাহত রেখেছে। তার মরদেহ এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। সালমান আরব দৈনিক আশার্ক আল-আওসাতকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, ‘জামাল খাশোগির মৃত্যু একটি খুবই যন্ত্রণাদায়ক অপরাধ।’ তিনি তুরস্কের নাম সরাসরি উল্লেখ না করে আরও বলেন, ‘এই বিষয়টি যারা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে তা তাদের বন্ধ করা উচিত এবং আদালতের হাতে যেসব চলমান প্রমাণ রয়েছে তা ন্যায়বিচার পেতে ভূমিকা রাখবে।’ যুবরাজ এও বলেন যে, তিনি তুরস্কসহ সব মুসলিম রাষ্ট্রের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রাখতে চান।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ বারবার বলেছে খাশোগির হত্যাকান্ডটি সম্ভবত যুবরাজ সালমানের নির্দেশেই ঘটেছে। তিনিই কার্যত সৌদির প্রকৃত শাসক এবং আরব বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ বরাবরই এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। সৌদি প্রসিকিউটররা খাশোগি হত্যার অভিযোগ থেকে সালমানকে মুক্তি দিয়েছেন এবং বলেছেন দুই ডজনের মতো লোককে এই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যুদন্ড হতে পারে। মার্কিন নাগরিক খাশোগি যুবরাজের কঠোর সমালোচনা করে কলাম লিখতেন এবং তার হত্যাকান্ডকে রিয়াদ অসৎ ক্রিয়া বলে বর্ণনা করেছে। সালমান বলেছেন, সৌদি এই হত্যাকা-ের বিষয়ে পূর্ণ ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই হত্যায় জড়িত অপরাধীদের শাস্তি কার্যকরে তিনি আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রয়েছেন।