১৭ জুন ২০১৯

রাজধানী ঢাকায় জনসংখ্যানুপাতে বৃক্ষ নেই : পরিবেশমন্ত্রী

রাজধানী ঢাকায় জনসংখ্যানুপাতে বৃক্ষ নেই  : পরিবেশমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার ॥ দেশের প্রাণকেন্দ্র রাজধানী ঢাকা শহরে যে পরিমাণ জনসংখ্যার বসতি রয়েছে, সে তুলনায় যে হারে গাছ বা বৃক্ষ থাকার কথা ছিল অর্থাৎ (৩ গুণ) তা নেই। এমনকি এ কারণে পরিবেশ দূষণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবে মানব মৃত্যু হার নির্ধারণে দেশে সরকারিভাবে কোনো সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়নি। ফলে পরিবেশ দূষণে কি পরিমাণ মানুষ মারা যাচ্ছে তার কোন পরিসংখ্যান মন্ত্রণালয়ের জানা নেই।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সোমবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দীন।

মন্ত্রী জানান, পরিবেশ দূষণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবে মানব মৃত্যু হার বিষয়ে বাংলাদেশে সরকারী পর্যায়ে কোনো সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়নি। এ বিষয়ে পরিসংখ্যানগত সঠিক তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফরিদপুর-১ আনের সংসদ সদস্য মনজুর হোসেনের প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশে সংরক্ষিত বনের আয়তন ১৮ লাখ ১৮ হাজার ২১৮ দশমিক ৭৯ একর। এই বন ভূমিতে ৩৯০ প্রজাতির বৃক্ষ আছে। এসব বৃক্ষের মধ্যে সুন্দরী, গেওয়া, গর্জন, সেগুন ও শাল ইত্যাদি।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সালমা ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী শাহাব উদ্দীন জানান, দেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধিরোধে বন অধিদপ্তরে আওতায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এবং রাজস্ব বাজেটের আওতায় সড়ক, রেল ও বাঁধের পাশে প্রতিবছরই গাছ লাগানোর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় চলতি অর্থ-বছরে বিভিন্ন সড়ক, রেল ও বাঁধের পাশের ১৩০০ কিলোমিটার বাগান সৃজন করা হচ্ছে।

মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, এটা সত্য যে জনসংখ্যার তুলনায় ৩ গুণ গাছ ঢাকা শহরে নেই। রাজধানীকে পরিবেশ বিপর্যয় হতে রক্ষার্থে ব্যাপকহারে গাছ লাগানোর লক্ষ্যে বন অধিদপ্তর কর্তৃক জাতীয় পাযায়ে বৃক্ষ মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। প্রতি বছরই এ মেলায় প্রায় ১২ লাখ থেকে ১৩ লাখ বনজ, ফলজ এবং ঔষধি গাছের চারা বিক্রয় হয়ে থাকে।