১৭ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যশোর কৃষি অঞ্চলে আবাদ যোগ্য জমির পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে

যশোর কৃষি অঞ্চলে আবাদ যোগ্য জমির পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ দেশের অন্যান্য কৃষি অঞ্চলে আবাদ যোগ্য জমির পরিমান কমলেও যশোর কৃষি অঞ্চলে এর ব্যতয় ঘটেছে। যশোর কৃষি অঞ্চলে এক যুগের (১২ বছর) ব্যবধানে আবাদ যোগ্য জমির পরিমান বেড়েছে ৫ হাজার ৭ শ ২১ হেক্টর জমি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর যশোর অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরে যশোর কৃষি অঞ্চলের ৬ জেলায় মোট আবাদ যোগ্য জমির ছিল ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯ শ’ ৩২ হেক্টর। ২০১৭-২০০১৮ সালে জমির পরিমান বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬ শ’ ৫৩ হেক্টর। তবে ৬ জেলায় গড় হিসেবে আবাদি জমির পরিমান বৃদ্ধি পেলেও দুই জেলায় অর্থাৎ যশোর ও ঝিনাইদহ জেলায় আবাদ যোগ্য জমির পরিমান কমেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর যশোর অফিসের হিসাব অনুযায়ি ২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরে যশোর জেলায় আবাদ যোগ্য জমির পরিমান ছিল ২ লাখ ৩ শ’ ৯৪ হেক্টর। ২০১৭-২০১৮ সালে যশোর জেলায় আবাদ যোগ্য জমির পরিমান কমে হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮ শ’ ৫০ হেক্টর। ঝিনাইদহ জেলায় ২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরে আবাদ যোগ্য জমির পরিমান ছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৭ শ’ ৬৯ হেক্টর। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে কমে হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ২ শ’ ৪০ হেক্টর। এছাড়া মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ও মেহেরপুর জেলায় আবাদ যোগ্য জমির পরিমান ৫ হাজার ৭ শ’ ২১ হেক্টর বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে মাগুরায় আবাদ যোগ্য জমির পরিমান ছিল ৭২ হাজার ৯ শ’ ৩২ হেক্টর। ২০১৭ ২০১৮ অর্থ বছরে জমির পরিমান বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৭৬ হাজার ৭ শ’ ১ হেক্টর। ২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরে কুষ্টিয়ায় আবাদ যোগ্য জমির পরিমান ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৫ শ’ ৫০ হেক্টর। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ১ শ’ ৩৫ হেক্টর। ২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরে চুয়াডাঙ্গায় আবাদ যোগ্য জমির পরিমান ছিল ৯১ হাজার ৩ শ’ ১৫ হেক্টর। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৯৪ হাজার ২ শ’ ২ হেক্টর। ২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরে মেহেরপুরে আবাদ যোগ্য জমির পরিমান ছিল ৫৭ হাজার ৯ শ’ ৭২ হেক্টর। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৫৮ হাজার ৫ শ’ ৭ হেক্টর।

আবাদ যোগ্য জমির পরিমান বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতর যশোরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ সমির কুমার গোস্বামী বলেন, যশোর এবং ঝিনাইদহ জেলায় বসতবাড়িসহ অন্যান্য কাজে আবাদী জমি ব্যবহার করায় আবাদী জমির পরিমান কমেছে। কিন্তু কৃষি অঞ্চল যশোরের অন্যান্য জেলায় নদী, নালা, খাল, বিল, ভরাট ও নদী অঞ্চলে নতুন চর জেগে উঠায় দেশের অন্যান্য কৃষি অঞ্চলে আবাদ যোগ্য জমির পরিমান কমলেও সেই সব জেলায় আবাদী জমির পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে।