২২ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

‘জঙ্গীবাদ শুধু ধর্মের ওপর ভিত্তি করে সৃষ্টি হয় না, ভূ-রাজনীতিও জড়িত’

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জঙ্গীবাদ শুধু ধর্মের ওপর ভিত্তি করেই সৃষ্টি হয় না এর পেছনে ভূ-রাজনীতির প্রভাব এং ব্যবসাও জড়িত। ব্র্যান্ডিং করতে পারলেই তাদের ব্যবসা ভাল হয়। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহিংস উগ্রবাদ দমনে প্রস্তুত। জঙ্গীবাদ দমনে আমরা তৃপ্ত হলেও এ নিয়ে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। জঙ্গীবাদের ধরন প্রতিনিয়ত পাল্টাচ্ছে। ভবিষ্যতে আমাদের সাইবার হামলা মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। পুলিশের এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান এডিশনাল আইজি মোহাম্মদ আবুল কাশেম এক আন্তঃধর্মীয় সংলাপে এসব কথা বলেন। সিরডাপ মিলনায়তনে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত সংলাপে ১০ দফা সুপারিশসহ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সম্প্রীতি প্রকল্পের সহযোগিতায় সংলাপটি সঞ্চালনা করেন ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কোরানের আলো ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ, বাংলাদেশ পূঁজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জী, শ্রী শ্রী প্রণব মঠের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী সঙ্গীতানন্দজী মহারাজ, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের নির্বাহী সভাপতি অশোক বড়ুয়া, আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ভিক্ষু সুনন্দ প্রিয়, খ্রিস্টান এ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের মহাসচিব উইলিয়াম প্রলয় সমাদ্দার, বাংলাদেশ পোস্টের সম্পাদক শরিফ শাহাবউদ্দিন, দৈনিক সমকালের উপ-সম্পাদক অজয় দাস গুপ্ত, ক্রাইম রিপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল খায়ের ও একাত্তর টেলিভিশনের হেড অব নিউজ শাকিল আহমেদ, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির সহযোগী অধ্যাপক মোখতার আহমাদ, গ্রীনহেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক জনাব ম্যালকম ম্যান্ডেজ।

পুলিশের এডিশনাল আইজি মোহাম্মদ আবুল কাশেম আরও বলেন, ধর্ম মানুষের আত্মশুদ্ধির জন্য। খারাপ যা কিছু তা থেকে বিরত রাখার জন্য। সব ধর্মই কল্যাণের কথা বলে। কোন ধর্মেই মানুষকে হত্যা করার বিধান নাই। তবে মানুষ ডিপ্রাইভ হলে আয় উপার্জন না থাকলে ক্ষোভ থেকে সন্ত্রাস তৈরি হতে পারে। তবে অনেকে না বুঝে জঙ্গীবাদী কর্মকা-ে জড়িত হচ্ছে। ইসলাম কখনও সন্ত্রাসকে সমর্থন করে না। একইভাবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীস্টান ও শান্তির কথা বলে। নিজের ধর্মের প্রতি আস্থা রেখেও অন্যের ধর্মকে শ্রদ্ধা জানানো যায়।