১৭ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জেলা শহরে জনশক্তি রফতানিকারকদের অফিস খোলার নির্দেশ

  • মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্যোগ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি জেলা শহরে জনশক্তি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের শাখা অফিস খোলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এতে বিদেশে চাকরি নিয়ে যেতে কর্মীদের ব্যয় কমে যাবে। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ এ নির্দেশ দেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান জানিয়েছেন, বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের কারণেই কর্মীদের ভোগান্তির শিকার হতে হয়। বৈদেশিক কর্মসংস্থানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে জেলা পর্যায়ে শাখা অফিস খোলার কথা জানিয়েছেন। বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে হয়রানি, প্রতারণা ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। অভিবাসন ব্যয় কমাতে সকলের সহযোগিতা আবশ্যক। বায়রার প্রতিনিধিদলকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মিডেলম্যান’কে কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এ বিষয়ে একটি সুপারিশ ৭ দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে। জেলা শহরে শাখা অফিস থাকলে কর্মীরা কোন মিডেলম্যান ছাড়াই সেখানে গিয়ে সব কিছু করতে পারবেন। তাছাড়া কোন টাকা হাতে হাতে না নেয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন। সব টাকাই ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দেবে কর্মীরা। মিডেলম্যানকে জনশক্তি রফতানিকারকরা কমিশন দেবে। তারা যেন কোনভাবেই কর্মীদের ঠকাতে না পারে এ বিষয়ে সব জনশক্তি রফতানিকারকরা সতর্ক থাকবেন। আমি চাই এই সেক্টরে স্বচ্ছতা। কোন প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি যেন না থাকে তার জন্য ‘সেন্ট্রাল ডাটাবেজ’ তৈরি করা হবে।

বৈঠকে বায়রার সভাপতি বেনজির আহমেদ এমপি বলেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আর যেন কোন সিন্ডিকেট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সিন্ডিকেট হলেই কর্মীদের টাকা বেশি চলে যায়। প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসা হলে কর্মীরা কম টাকায় বিদেশে চাকরি নিয়ে যেতে পারবেন।